
Amar_CPG


আপনি বিশ্বাস করছেন তাই প্রতাারিত হচ্ছেন। বিশ্বাস করা ছেড়ে দিন। প্রতারণাও আপনাকে ছেড়ে দিবে। আপনি যদি কাউকে ভালোবাসেন তাহলে সাহস করে বলে ফেলুন। ভয়ের কিছু নেই। হয়তো সেও আপনাকে ভালোবাসে কিন্তু বলতে পারে না। কাউকে ভালোবাসলে এতটাই ভালোবাসো যেন সে কষ্ট পেলে প্রথমে তোমাকেই খোঁজে। আমরা যে জিনিসটাকে বেশি পছন্দ করি সেটা পাওয়া অসম্ভব। পৃথিবীতে স্বার্থ ছাড়া কিছু নেই। ঠিক যেমন জোসনার স্বার্থে মানুষ চাঁদকে ভালোবাসে। মন থেকে ভালোবাসলে চোখ থেকে পানি ঝরবেই। বিপদের সময় যারা পাশে থাকে না শুধু সুখের সময় বলে আমি আছি তাদের দূরে রাখাই ভালো।
লোকের কাছে তারাই সবচেয়ে বেশি খারাপ যারা সবসময় মুখের উপর উচিত কথা বলতে ভালোবাসে। স্বার্থে আঘাত লাগলে মানুষ হিংসার চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়। যখনই বলি ভালো আছি তখনই মনটা বলে ওঠে। কত অভিনয় করবি ভালো থাকার। নিষিদ্ধ করা হোক ভালোবাসা না হয় নিষিদ্ধ করা হোক ছেড়ে চলে যাওয়াটা। ইচ্ছেগুলো যদি পবিত্র হয় তাহলে একদিন ঠিকই স্বপ্নটাও পূরণ হবে। তুমি হিনা আমার মনের ভেতর যে শূন্যতা এটা কোন ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না। কখনো ভাবিনি একই সাথে চলার পথটা একাই পার করতে হবে। এ শহরে মন বোঝার মানুষের চেয়ে ভুল বোঝার
মানুষের সংখ্যা বেশি। তাকে মেসেজ দেওয়া বারণ। সে বিরক্ত হবে। এটাই তার কারণ। আমাদের প্রিয় মানুষগুলো কখনো হারিয়ে যায় না। স্মৃতির পাতায় ফাঁকে ফাঁকে লুকিয়ে থাকে আজীবন। আত্মহত্যা করলে মানুষ নরকে যায়। কিন্তু মানুষ তখনই আত্মহত্যা করে। যখন তার জীবনটা নরকের চেয়েও ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখীন হয়। তোমায় খুব ভালোবাসি। তাই এতটা কষ্ট দিচ্ছো। একদম সব কষ্ট সহ্য করে তোমাকেও ভুলে যাব। নেশা শুধু নিকটিনে নয় কারো কারো মায়া ভরা চেহারাতেও অনেক বেশি নেশা থাকে। ভুলে যাওয়াটা কঠিন বিষয় না। কঠিন বিষয় হলো ভুলে থাকার অভিনয় করাটা।
এই শহরে হাঁটতে হাঁটতে বুঝে গেছি সঠিক পথ দেখানোর কেউ নেই। সবসময় শুধু ভালোবাসলেই হয় না। কিভাবে ভালো রাখতে হয় সেটাও জানতে হয়। স্বপ্ন দেখা তো সেদিনই ছেড়ে দিয়েছি যেদিন কারো দ্বারা আমার স্বপ্নগুলো প্রতাারিত হয়েছে। সত্যিকারের ভালোবাসায় ঝগড়া বেশি হলেও ভালোবাসাটা অনেক গভীর হয়। তোমার নেশা কাটাতে কাটাতে রাত জায়গাটায় নেশা করে ফেলেছি। এগিয়ে গিয়েও পিছিয়ে আসি। বেরতে চাই না একা এই পথের নাম পাবে নিজের দাম তুমি একটাবার দিলে দেখা আমি রাগ করি না কারণ আমি জানি আমার রাগের মূল্য কারো কাছে নেই হাজারটা সুখের স্মৃতি একটা কষ্ট মুছে
ফেলতে পারে না কিন্তু একটা কষ্ট সুখের স্মৃতিগুলোকে মুছে ফেলতে পারে এটাই জীবনে সবচেয়ে নিঠুর সত্যি কখনো চেনা ভেঙে হারিয়ে ফেলে নিজেকে কখনো বেরঙিন ব্যথা কাঁদে বুকে এলোমেলো ঝরে মন ভেঙে পড়ে হারিয়ে ফেলে পরিচয় পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মানুষের হৃদয় ব্যথা আছে শুধু প্রকাশ করার ধরণটা আলাদা অতীত পাখি হয়ে কারো জীবনে যেও না হয়তো তুমি তাকে কিছুদিন হাসাবে কিন্তু তুমি যখন চলে যাবে আপন ঠিকানায় সে সারাজীবন কাঁদবে শুধু তোমার বেদনায় ভুল তোমারও ছিল সেটা তুমি বোঝনি রাগ আমারও ছিল কিন্তু আমি দেখাইনি ভুলে আমিও যেতে পারতাম কিন্তু চেষ্টা করিনি কারণ আমি তো
ভুলার জন্য তোমাকে ভালোবাসিনি ভালোবাসা বদলায় না বদলে যায় মানুষগুলো অনুভূতিরে হারায় না হারিয়ে যায় সময়গুলো জীবনে একবার হলেও কারো কভার ফটো হতে চাই অনেকদিনও ইচ্ছে আমার অনেকদিন দেখা হয় না অনেকদিন কথা হয় না তাতে কি হয়েছে একদিন তোর কথা না ভেবে থাকতে যে আমি পারি না কালকে তার যোগ্যতা থেকে বেশি গুরুত্ব দেবে সেই শুধু কষ্ট কষ্ট পাবে। কিছু কষ্টের কোন সমাধান হয় না। কষ্ট পেতে পেতে একসময় অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। এখন আছি তাই অবহেলা করিস। যেদিন থাকবো না সেদিন শুধুই মিস করবি। সবাই নিজের স্বার্থের জন্য বদলায় না।
কিছু মানুষ প্রিয় মানুষটাকে সুখে রাখার জন্যও বদলে যায়। এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া খুবই ভাগ্যের ব্যাপার। যে কিনা কিছু না বলতেই সব বুঝে যাবে। অনেক বেশি আশা ভর্ষা যার উপর করবে সেই তোমাকে কষ্ট দিবে। এটাই বাস্তব। আসলে যার মন পরিষ্কার তার ভাগ্যটাই খারাপ। অতীত পরিবর্তন করা যায় না। কিন্তু চাইলে ভবিষ্যৎকে সুন্দরভাবে সাজানো যায়। আমি বদলে যাইনি। হারিয়েও যাইনি। আমি শুধু তোর মত সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার অভ্যাস করছি। অল্পতে কেঁদে ফেলা মানুষগুলো খুব সরল হয়। আর এই মানুষগুলো জীবনে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায়। অপরাধ না করেও যদি অপরাধী হয়ে যাবে তখন
চুপ থাকা সবচেয়ে বেশি ভালো। কারণ চিৎকার করে কখনো নির্দোষ প্রমাণ করা যায় না। চায়ের কাপের ভেজানো বিস্কুটটা আমাদের একটাই শিক্ষা দেয়। কারোর প্রতি এতটা ডুবে যেও না যাতে নিজেকেই ভেঙে পড়তে হয়। মনের মানুষের হাত ধরে হাঁটা মানেই ভালোবাসা নয়। তার হাত ধরে বাস্তবের কঠিন পরীক্ষা সফল হওয়ার প্রকৃত ভালোবাসা। চোখের জল দিয়ে কাউকে কখনোই বেঁধে রাখা যায় না। যে সত্যিকারের ভালোবাসে সে কখনোই চোখের জল পড়তে দিবে না। যার কাছে একটি সত্যিকারের মন আছে সে কখনোই একসাথে হাজারজনকে ভালোবাসতে চায় না। বরং সে একজনকেই হাজার রকম ভাবে ভালোবাসে।
চাবুকের আঘাতের চেয়েও বেশি যন্ত্রণাদায়ক প্রিয় মানুষের মুখের ভাষায় দেওয়া আঘাত। ভালোবাসা মানুষকে কখনোই সেকলে বাঁধা যায় না। পাওয়া যায় না। যদি না আসে হৃদয় থেকে না ভালোবাসে। মানুষের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো ভালোবাসা। যার মধ্যে ভালোবাসা নেই তার কোন দুর্বলতাও নেই। ভালোবাসার জন্য মানুষ সবকিছু ছেড়ে দেয়। আর সেই ভালোবাসায় এক না একদিন কাল হয়ে দাঁড়ায়। হ্যাঁ এটাই বাস্তবতা। পৃথিবীতে ভালোবাসার কোন মূল্য নেই। সবাই সুন্দর মানুষ খুঁজে। কিন্তু সুন্দর মন কেউ খুঁজে না। একটি কথা মনে রেখো। রূপ কিন্তু দুই একদিনের। কিন্তু ভালোবাসা চিরদিনের।
কেউ চায় না কাউকে ভুলতে। কিন্তু সময় ভুলিয়ে দেয়। কেউ চায় না কাউকে হারাতে। কিন্তু ভাগ্য ছিনিয়ে নেয়। এটাই বাস্তবতা। পৃথিবীতে কেউ কেউ এতই ভাগ্যবান যে মানুষকে অনেক কষ্ট দিয়েও নিজে ভালোবাসা পায়। আর কেউ কেউ এত অভাগা যে নিজে কষ্টের বিনিময়েও। নিজের ভালোবাসার বিনিময়েও শুধু কষ্ট পেতে হয়। প্রকৃতি কারো কাছে কখনো ঋণ থাকে না। আপনি যদি ভালোবাসা বিতরণ করেন তাহলে দ্বিগুন ভালোবাসা ফেরত পাবেন। অন্যদিকে ঘৃণার বিপরীতে ঘৃণা।

যেদিন তুমি আমার জীবন থেকে চলে গিয়েছিলে সেদিন এই খোলা আকাশটাও হয়ে পড়েছিল মেঘাচ্ছন্ন চারিদিকে শুধু প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা আর হাহাকারে ভরে গিয়েছিল চারপাশে যেন বিষাক্ত বাতাস বোঝাচ্ছে এই যেন আমার নিঃশ্বাসটাও বন্ধ করে দিচ্ছে রাতের আকাশে মায়াবী চাঁদার মায়াবী আলো সেও যেন নিশ্চুপ হয়ে আমার কান্না ভেজা চোখটির দিকে আলো দিয়ে যাচ্ছে আমার একাকি পথের সঙ্গী হয়ে সে যেন পাশে ছিল। এই চাঁদটাও তখন বুঝে গিয়েছিল তুমি ছাড়া আমি অন্ধকারে ডুবে গিয়েছি। কিন্তু তুমি পাসান প্রিয়। বুঝতেই পারোনি যে কতটা ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে এই ভিতরটা। আমার না তখন মনে হতো কি জানো? তুমি আমার দেহ থেকে আত্মাটা নিয়ে চলে গিয়েছো। তবে এখনো মনে হয় তুমি আমার আত্মাটা নিয়ে হারিয়ে গিয়েছো। মানুষের দেহ মরার আগে যদি আত্মাটা মরে যায় তখন কি সে বেঁচে থাকে? নাকি মন মরা হয়ে যায়? হু তবে আমারও তেমনটাই হয়েছে। এই মনের একপাশে তবু আড়াল থেকে চত্ত করে তোমাকে রেখে দিয়েছে। কেননা এই জনমে তুমি হয়তো আমার হবে না। তবে পরের জনমে যেন তুমি আমার এই হও। তখনো বলবো ভালোবাসি তোমায়। আজও আমি। কেউ একজন বলেছিল ভালোবাসার রং বদলায়। মাঝে মাঝে সেই রংটা বর্ণবিহীন ধূষর হয়ে যায়। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে পাশে থাকা। আর আমার কাছে ভালোবাসা মানে অস্তিত্বে মিশে থাকা। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে তোমাকে সময় দেয়া। অথচ আমার কাছে ভালোবাসা মানে তোমার সময়কে আপন করে নেয়া। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে অন্য মানুষটিকে নিজের করে নেয়া। আর আমার কাছে ভালোবাসা মানে নিজেকে উৎসর্গ করে দেয়া। তোমার মতে ভালোবাসার পরিণতি হবে সামাজিক সম্পর্ক। আর আমার মতে ভালোবাসার পরিণতি হবে আত্মা সম্পর্ক। তুমি ভাবো ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠুক। আর আমি ভাবি ভালোবাসার সম্পর্ক মন থেকে জন্ম নিক। তুমি চাও পারস্পরিক মেল বন্ধন আর আমি চাই তোমার বাবারা সারা বছর এক জামা পড়ে কাটে। কিন্তু মাঝে মাঝে বাজারের সবচেয়ে বড় মাছটা অনেক টাকা দিয়েই কিনে আনেন। এরপর মার ধমক খায়। কিন্তু তবুও তিনি খুশি। সবচাইতে বড় মাছটা কিনতে পারে। তিনি ঠিক শিশুর মতোই খুশি। তবুও একটা বয়স ছেলেদের ভাবায়। সেই বয়সের রূপকথা থাকে সবচাইতে বেশি। কিন্তু ধীরে ধীরে সমস্ত রূপকথা অনিশ্চিত হয়ে যায়। সে বয়সে বাবার পুড়িয়ে যাওয়া দেখে ছেলেদের কপালে ভাজ পড়ে। সে বয়সে বেলাবোজ শুনে প্রিয়তমা হারানোর ভয়ে ছেলেরা কুকরে পড়ে। কিন্তু এরপরও এরা রূপকথা বিশ্বাস করে। ভাবে হবে। সব হবে। ছেলেরা আগলে রাখার ক্ষমতা নিয়েই
জলবায়। তাই আগলে রাখতে এরা ভয় পায় না। কিন্তু আমি শেষমেষ সব আগলে রাখতে পারবো। তো এটা ভেবেই তাদের ভীষণ ভয় হয়। ভীষণ জীবন নিয়ে আমরা যতই পরিকল্পনা করি না কেন ভাগ্যে যা লেখা সেটাই ঘটে। শুধু চাইলেই কি আর হয়? কিছু জিনিস কপালেও থাকতে হয়। জীবনে যদি সত্যি মন থেকে কাউকে ভালোবেসে থাকো তাহলে তাকে হারিয়ে যেতে দিও না। কারণ চোখের জল হয়তো বুঝতে পারবে। কিন্তু হৃদয়ের কান্নার জল কক্ষনো বুঝতে পারবে না। সত্যিকার অর্থে যে ভালোবাসে সে হাজারটা ভুলের মাঝেও একটি কারণ খুঁজে বের করে। শুধুমাত্র সম্পর্কে টিকিয়ে রাখার জন্য। মানুষ এমন একটা প্রাণী যাকে বিশ্বাস বা অবিশ্বাস কোনটাই করা যায় না। বিশ্বাস করলেও ঠকতে হয় আর অবিশ্বাস করলেও ঠকতে হয়। একটা কথা মনে রেখো যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না তা অন্যকে উপদেশ দিও না। তুমি হয়তো কারো সৌন্দর্য দেখে তাকে ভালোবেসে ফেলতে পারো। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো। প্রকৃতপক্ষে তুমি তার চরিত্র নিয়ে বেঁচে থাকবে। সৌন্দর্য নিয়ে নয়। মানুষ যখন একা থাকে তখন সে নিজের চেয়েও তার প্রিয় মানুষের কথা বেশি চিন্তা করে। এটাই স্বাভাবিক। অবহেলা পাওয়ার পরে মানুষ বুঝতে পারে গুরুত্ব দেয়াটা একটু বেশি হয়ে গিয়েছিল।
বাস্তবতা হলো ভালোবাসার বদলে ভালোবাসা পাওয়ার সৌভাগ্য সবার হয় না। কিচ্ছু হবে না। এটি বলে হাল ছেড়ে দেয়া উচিত না। কারণ মানুষ মারা যাবে জেলেও কিন্তু বাঁচার জন্য আজই বোন চেষ্টা করে। যাকে যতটা তুমি মূল্য দেবে সে তোমাকে তার চাইতে বেশি আরো সস্তা ভাববে। হ্যাঁ এটাই বাস্তবতা। ভিক্ষুকের মত কারো কাছে ভালোবাসা না চেয়ে নিজেকে যোগ্য করে তোলো। তখন দেখবে আশেপাশে ভালোবাসার মানুষের অভাব নেই। যে তোমাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে ভালোবাসে মনে করো। যে তোমাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে ভালোবাসে মনে রেখো। সেই তোমাকে সারাজীবন আগলে রাখতে পারবে। হ্যাঁ এটাই সত্যি। প্রতিটি ব্যর্থ প্রেমিক আশা করে ভালো থাকুক সেই মানুষটা যাকে ঘিরে তার পুরো শহরটা একজন আলোকিত করেছিল। চরিত্রবান ব্যক্তির কাছে তার স্ত্রী ও দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর নারী। [মিউজিক] অবহেলা এবং কষ্ট দুটোই মানুষকে পাথর করে ফেলে। অনেক সময় পরিচয়টা অনলাইন হলেও ভালোবাসাটা সত্যিকার। মন দেখে ভালোবাসো ধন দেখে নয় গুণ দেখে প্রেম করো রূপ দেখে নয় রাতের বেলায় স্বপ্ন দেখো দিনের বেলা নয় একজনকেই ভালোবাসো 10 জনকে নয় আমি রাগ করি না কারণ আমি জানি আমার আগের মূল্য কারো কাছে নেই অন্য কারো হাতে তোমার সুখের দায়িত্ব দিও না সে হারিয়ে গেলে তোমার সুখ কেউ খুঁজে পাবে না সবাই দেখে বলে আমি ভালো আছি শুধু আমি জানি আমি কত কতটা কষ্টে আছে কেউ যে মানুষটা সবার খেয়াল রাখে তারই একদিন খেয়াল রাখার মত কেউই থাকে না। কিছু কিছু মানুষ এতটাই ভালো হয় যে অন্যের খুশির জন্য নিজের খুশিকে মাটি করে দেয়। কখনো ফিরে এসো না। কারণ আমার বদলে যাওয়ার রূপ তুমি সহ্য করতে পারবে না। কারো চোখের কোণে দু ফোটা জল দেখে নিজে কেঁদে ফেলার নামই হলো ভালোবাসা। কিছু কষ্টের পরিমাণ এত বেশি হয় যে না প্রকাশ করা যায় না আর না কাউকে বোঝানো যায় শুধু নীরবে চোখের জল ফেলতে হয় বড্ড বোকা ছিলাম
তাই মুখোশ গুলোকেই মুখ ভেবেছিলাম কি দরকার ছিল এত অভিনয় করার বলে দিলেই পারতে তোমাকে আর প্রয়োজন নেই জীবনে এমন একজনকে দরকার যে আমার মনের ফিলিংস গুলো বুঝবে তোমাকে ভালোবাসি কিনা এখনো সেটা জানিনা তবে এখনো সারারাত জেগে তোমার তোমার ফোনের অপেক্ষা করি। কিছু সম্পর্ক ভাঙ্গা গাধির মতো হয়। তাকে তুমি যতই সাজাও কষনো নিজের হবে না। তাকে বোঝানোর মত ক্ষমতা আমার নেই। তার আড়াল থেকেই ভালোবাসি। সবাইকে ভালোবাসা যায় না। আর যাকে ভালোবাসা যায় তাকে কষনো ভুলে থাকা যায় না। যার জন্য তোমার অন্তর পড়ে ছাই খোঁজ নিয়ে দেখো তার অন্তরেই তুমি নেই। তোর দেয়া কষ্টগুলো এখন অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। যারা বারবার অপমান সহ্য করেও একটা সম্পর্কে পড়ে থাকে তারা দুর্বল নয়। তারা একটু বেশি আদলে রাখতে চায়। তারা একটু বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ডিলিট যত তাড়াতাড়ি হয় ডাউনলোড তত তাড়াতাড়ি হয় না। সেটা অ্যাপ্লিকেশন হোক বা সম্পর্ক। জানতে খুব ইচ্ছে করে। যার কথা আমার এত মনে পড়ে তার কি আমার কথা একবারও মনে পড়ে? মন তাকে দাও যে তোমার মনটাকে নিজের চেয়েও বেশি যত্ন করে রাখবে। হয়তো তুমি আর আমি আজ অনেক দূরে। তবে সত্যি করে বলছি। আজও তোমাকে অনেক মিস করি। বাস্তবতা হচ্ছে আপনি যার জন্য কাঁদবেন সে আপনার গল্প অন্যের কাছে বলে হাসবে। মেয়েদের একটাই ভুল। তারা ছেলেদের গুছিয়ে বলা মিথ্যেগুলো খুব সহজেই বিশ্বাস করে ফেলে। শুধু একবার একা হয়ে দেখো। পৃথিবীতে কেউ কারোর নয়। জীবনে চলার পথে সবাই অভিনয় করে। কেউ ছোট স্বার্থের টানে, কেউবা আবেগের কারণে। একদিন তুমি এটা ভেবে আফসোস করবে যে তুমি আমাকে পেয়েও হারিয়ে ফেলেছো। ভেঙে পড়াটা জীবন নয়। ভেঙে পড়ার পর নিজেকে তৈরি করাটাই হচ্ছে আসু জীবন। তোমাকে ভালোবেসে আমি হেরে চাইনি। সত্যিকারের ভালোবাসা যে কষ্ট আছে তার প্রমাণ পেয়েছি। তিন শ্রেণীর মানুষের থেকে সবসময় দূরে থাকবেন। স্বার্থপর, মিথ্যাবাদী, বিশ্বাসঘাতক। মানুষ মানে না এমন জিনিস খুবই দুর্লভ। কারণ মানুষ হলো অভ্যাসের দাস। মানুষ চেষ্টা করলে সব সম্ভব। সবসময় এমন মানুষের সাথে থাকার চেষ্টা করো যে তোমাকে সম্মান দেবে। কারণ সম্মান ভালোবাসার থেকেও বেশি মূল্যবান। ভালোবাসা শব্দটি পূর্ণতা পায় বিশ্বাস শব্দটির কাছে যা সবাই অর্জন করতে পারে না। মেয়েদের সম্মান কি জিনিস ছেলেরা তখনই বুঝতে পারে যে যখন সে কোন মেয়ের বাবা হয়। নারীরা ঘরে থেকে সংসারের জন্য যতই ঘাটাখাটি করুক না কেন পুরুষদের একটা প্রশ্ন কোনদিনই যাবে না। সারাদিন ঘরে বসে কি করো? সকল মেয়েদের বলছি কিছু সময় বের করে নিজের জন্যও বাঁচো। কারণ তুমি সদ পরিশ্রম করলেও কেউ তোমায় বলবে না তুমি কাজ করে ক্লান্ত হয়ে গেছো। একটু বিশ্রাম করো। মেয়েরা খুব ভালো অভিনয় করতে পারে। কিসের কেউ নয় জানেন? হাজার কষ্টে থাকলেও হাসি মুখে থাকার অভিনয়। একজন নারী জীবনে সবচাইতে দামি অলংকার হচ্ছে তার স্বামী। বিপদে পড়লে কে আপন তারপর সেটা ভালো করেই চেনা যায়। জীবনে চলার পথে নিজের রাস্তাটায় নিজেই তৈরি করে নিতে হয়। যেখানে কেউ সাহায্য করবে না। বাস্তব জীবনটা বড়ই জটিল। ভালো থাকতে বলেছিলে। তাই আজও ভালোই আছে।
কিন্তু কখনো কি জানতে চেয়েছো? সত্যি কি ভালো আছে কিনা? ভালো আছে বলে নিজেকে মিথ্যাচারে জড়িয়েছে। অপেক্ষা করা সব অপেক্ষা করো। সময় একদিন সবার আসল চেহারা দেখিয়ে দিবে। বিশ্বাস থাকা ভালো। তবে অন্ধ বিশ্বাস করা উচিত নয়। একটা মেয়ে তার জীবনের প্রত্যেকটা সময় অন্যের জন্য বেঁচে থাকে। জন্মের পর বাবা-মায়ের জন্য, বিয়ের পর স্বামীর জন্য, সন্তান হওয়ার পর সন্তানের জন্য। আসলে মেয়েদের নিজের জীবনের কোন চাওয়াপাও থাকে না। সৌভাগ্যবান সেই যে কষ্টের সময় প্রিয় মানুষকে কাছে পায়। ফ্যামিলির দিকে তাকিয়ে নিজের ইচ্ছা আশাগুলো বিসর্জন
মাঝপথে ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলোর জন্য আমাদের আক্ষেপের শেষ থাকে না। প্রিয়জনেরা মাঝপথে হাত ছেড়ে দেয়ার পর আমরা ভীষণ ভাবে ভেঙে পড়ি। ধীরে ধীরে সবার কাছে থেকেও নিজেদের আড়াল করতে থাকি। ডুবতেই একাকিত্বের অন্ধকারে। আমি মনে করি কেউ একজন ছেড়ে গেছে বলে আমার জীবনটা রঙহীন হয়ে পড়ে থাকবে এমনটা নয়। কারো চলে যাওয়াতে অবহেলা করাতে বা সে আর আসবে না জেনেও অপেক্ষায় দুঃখ বিলাস করে নিজেকে গুটিয়ে রাখবো। এটা নিত্যন্ত অহেতুক একটা বিষয়। দিন শেষে আমরা সবাই একা। বন্ধু-বান্ধবদের সাথে আড্ডা শেষে বাড়ি ফেরার পথে আমাদের পাশ দিয়ে অনেক মানুষের চলাচল দেখি। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর আমরা নিজের রুমে নিজেরাই থাকি। একাই। কেউ তখন থাকে না। আবার পৃথিবীতে আসার আগে আমরা একাই আসি। যাওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয় না। শুধু মাঝখানের কিছু পথ আমাদের অনেক মানুষের সাথে দেখা হয়। তারা আমাদের প্রিয় মানুষ হয়ে ওঠে। আমাদের ভালো থাকা মন্দ থাকা একসময় তাদের সাথেই জুড়ে যায়। তারপর হঠাৎ যখন তারা আমাদের হাত ছেড়ে দেয় আমরা তখন ভেঙে পড়ি। আমাদের সাজানো গোছানো জীবন এলোমেলো রংহীন ফিকে হয়ে যায়। আমরা ধরেই নেই তাদের ছাড়া আমরা বাঁচবো না। নিজেকে সবার থেকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করি। অথচ শেষ অব্দি আমরা একা বাঁচতেই শিখে যাই। সে সময় আমাদের আর কারো অপেক্ষা বা আক্ষেপ থাকে না। জীবনের সংজ্ঞা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্নভাবে দিয়ে থাকে। আমি মনে করি ছেড়ে যাওয়া মানুষটার জন্য নিজের জীবনকে রংহীন না করে দক্ষ শিল্পীর মত জীবনের ফিকে পড়া ক্যানভাসকে আবারো রং তুলিতে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলাটাই জীবনের সংজ্ঞা তোমার অতীত ঘেটে বুঝতে পারলাম তোমার উপরটা যতটা সাজানো গোছানো ভেতরটা ঠিক ততটাই ক্ষতবিক্ষত কাচের মত টুকরো টুকরো হয়ে গেছে তোমার উপর চাইলেও আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয় একেবারে ভেঙে যাওয়া একটা মানুষ কিন্তু তুমি কি জানো প্রিয় এই ভাঙ্গা মানুষটাকেইযে চাই আমার
কারণ আমি জানি মন ভাঙ্গা মানুষগুলো আত্মাকে স্পর্শ করে ভালোবাসতে জানে তারা সহজে কাউকে কষ্ট দেয় না তারা কষ্টের মানে বুঝে সম্পর্ক কিভাবে টিকিয়ে রাখতে হয় এটাও জানে কিন্তু আমি জানি তোমার মনে তার জন্য যে জায়গাটা আছে তুমি তা কোনদিন কাউকে দিতে পারবে না আর আমি এটা কোনদিন চাইও না আমি চাই তোমার মনে আমার জন্য এক আলাদা জায়গা তৈরি হোক না তার থেকে কম না তার থেকে বেশি ঠিক অন্যরকম একটা সম্পর্ক যেখানে বিচ্ছেদ নামে কোন শব্দই থাকবে না থাকবে না কোন মিথ্যে আশ্বাস সেই সম্পর্কটা থাকবে দেহ তাগের শেষ অব্দি আর থাকবে একে অপরের প্রতি অটুট বিশ্বাস তাই বলছি প্রিয় আমার তোমাকে চাই জীবনের শেষ নিঃশ্বাস যে মানুষ যত বেশি আশা করবে সে মানুষ তত বেশি কষ্ট পাবে এটাই প্রকৃতির নিয়ম জীবনে যাকে পাওয়া হবে না নিয়তি তার সাথে সম্পর্কটা জড়িয়ে দেয় জীবনের সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় হয়তো আমারটাও তেমনিই। কল্পনার শহরে মনের আশা পূরণ হওয়া অনেক কঠিন। এই দুনিয়ায় কেউ আপন হয় না। কষ্ট পেলে রাতের ঘুমটাও পর হয়ে যায়। সব শিক্ষা বই থেকে পাওয়া যায় না। কিছু শিক্ষা জীবন থেকে অর্জন করে নিতে হয়। ভদ্র ব্যবহার করা উচিত। তবে কখনোই ভদ্র হওয়া উচিত না। কারণ কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ভদ্রতার ভাষা বোঝে না। মানুষ দুঃখ ভুলে যেতে পারে। কষ্ট ভুলে যেতে পারে। কিন্তু আপচনের থেকে পাওয়া বিশ্বাসঘাতকতা কখনোই ভুলতে পারে না। কিছু অবহেলা মানুষকে মরতে বাধ্য করে। কিন্তু অবহেলা মানুষকে বেঁচে থাকার নতুন উপায় শেখায়। তোমার জন্য মরতে চাই না। তোমাকে ভালোবেসে হাজার হাজার বছর বাঁচতে চাই। আগের চেয়েও অনেক বেশি চুপচাপ হয়ে গেছি আমি। এরপর হঠাৎ করেই একদিন হারিয়ে যাব। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি পারলাম না তোমার যোগ্য হতে। একটা সময় আপনার মনে হবে আপনি একা একসময় বোকা ছিলেন। প্রচুর পাগলামি করতেন। একটা মানুষ যারা আপনার জন্য ।বিন্দুমাত্র টান ছিল না সে মানুষটার জন্য আপনার পাগলামি করতেন প্রচুর। সে একটু দেরি করে রিপ্লাই দিলেও অভিযানে আপনার চোখ ভেজে যেত। তার খবর না পেলে অস্থির হয়ে যেতেন। না হওয়া খাওয়া ভুলেই যেতেন। কত কত পাগলামি করেছেন তা কেবল আপনিই জানেন। সে মানুষটা আপনার সিরিয়াসনেস দেখেও বিরক্ত হয়ে যেত। তাই না? অনেক বছর পর আপনার মনে হবে একটা ভুল মানুষের জন্য আপনি অনেকটা সময়ে আবেগ ভালোবাসা নষ্ট করে ফেলেছেন। ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে সব শেষ করে ফেলেছিলেন। আপনার বারবার মনে হবে কি বোকাটাই না ছিলাম আমি। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।ভালোবেসে ভালোবেসেছিলাম অনেক। সেদিন সে বলেছিল এর থেকে বেশি ভালোবাসা হয় না। প্রথম দেখাতেই সে আমাকে হাজারো মানুষের মাঝে কলিজা বলে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিল। তারপর থেকে ভালোবাসার পর বিয়ে। এমন ভালোবাসা ছিল যে একটি ব্রাশ দিয়ে দুজনে ব্রাশ করতাম। একটি প্লেটে দুজনেই খেতাম। দুজন দুজনকে খাইয়ে দিতাম। খাবারের মাঝে কপালে কিস দিতাম। একটু চুলের ঘ্রাণ নিতাম। একটু নাকের সাথে নাক মিলিয়ে ঘোষা দিতাম। একটি হাড্ডি দুজনের চিবিয়ে খেতাম। সে অসুস্থ হলে আমি ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। জোর করে সালে খাওয়াতাম। দুধ ডিম খাওয়াতাম। আমাকেও করতো। গোসল করিয়ে চুল শুকিয়ে সুন্দর করে আছড়ে দিতাম। যদিও ভালো আচড়াতে পারিনি। রাতে ঘুমাতে গেলে একটি মালিশে ঘুমাতাম। সে প্রথমে আমার ডান হাতে মাথা রেখে বুকে চুপচুপ করে ঘুমাতো। আমি কপালে কিস করে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ঘুম বাড়াতাম। ডান হাতে ব্যথা হয়ে গেলে বাম হাতে ঘুমাতাম। আমি চুল খুলে আমার নাকের উপরে রেখে ঘ্রাণ নিতাম। আমরা একটি দেহ ছিলাম দুজনে মিলে। একটি মিষ্টি দুজনে মুখে দিয়ে ভাগ করে খেতাম। একটা লেজ দুজনেই চুষে খেতাম। অসাধারণ ছিল আমাদের ভালোবাসা। কোন অভাব ছিল না কিছুতে। দুজনে নামাজ পড়তাম। দাঁড়ানোর আগে একটু ভরি দিতাম। কপালে কিস করতাম। নামাজ শেষ করে। বাঁচতেই শিখে যাই। সে সময় আমাদের আর কারো অপেক্ষা বা আক্ষেপ থাকে না। জীবনের সংজ্ঞা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্নভাবে দিয়ে থাকে। আমি মনে করি ছেড়ে যাওয়া মানুষটার জন্য নিজের জীবনকে রংহীন না করে দক্ষ শিল্পীর মত জীবনের ফিকে পড়া ক্যানভাসকে আবারো রং তুলিতে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলাটাই জীবনের সংজ্ঞা তোমার অতীত ঘেটে বুঝতে পারলাম তোমার উপরটা যতটা সাজানো গোছানো ভেতরটা ঠিক ততটাই ক্ষতবিক্ষত কাচের মত টুকরো টুকরো হয়ে গেছে তোমার উপর চাইলেও আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয় একেবারে ভেঙে যাওয়া একটা মানুষ কিন্তু তুমি কি জানো প্রিয় এই ভাঙ্গা মানুষটাকেইযে চাই আমার কারণ আমি জানি মন ভাঙ্গা মানুষগুলো আত্মাকে স্পর্শ করে ভালোবাসতে জানে তারা সহজে কাউকে কষ্ট দেয় না তারা কষ্টের মানে বুঝে সম্পর্ক কিভাবে টিকিয়ে রাখতে হয় এটাও জানে কিন্তু আমি জানি তোমার মনে তার জন্য যে জায়গাটা আছে তুমি তা কোনদিন কাউকে দিতে পারবে না আর আমি এটা কোনদিন চাইও না আমি চাই তোমার মনে আমার জন্য এক আলাদা জায়গা তৈরি হোক না তার থেকে কম না তার থেকে বেশি ঠিক অন্যরকম একটা সম্পর্ক যেখানে বিচ্ছেদ নামে কোন শব্দই থাকবে না থাকবে না কোন মিথ্যে আশ্বাস সেই সম্পর্কটা থাকবে দেহ তাগের শেষ অব্দি আর থাকবে একে
অপরের প্রতি অটুট বিশ্বাস তাই বলছি প্রিয় আমার তোমাকে চাই জীবনের শেষ নিঃশ্বাস যে মানুষ যত বেশি আশা করবে সে মানুষ তত বেশি কষ্ট পাবে এটাই প্রকৃতির নিয়ম জীবনে যাকে পাওয়া হবে না নিয়তি তার সাথে সম্পর্কটা জড়িয়ে দেয় জীবনের সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় হয়তো আমারটাও তেমনিই। কল্পনার শহরে মনের আশা পূরণ হওয়া অনেক কঠিন। এই দুনিয়ায় কেউ আপন হয় না। কষ্ট পেলে রাতের ঘুমটাও পর হয়ে যায়। সব শিক্ষা বই থেকে পাওয়া যায় না। কিছু শিক্ষা জীবন থেকে অর্জন করে নিতে হয়। ভদ্র ব্যবহার করা উচিত। তবে কখনোই ভদ্র হওয়া উচিত না। কারণ কিছু কিছু মানুষ আছে
যারা ভদ্রতার ভাষা বোঝে না। মানুষ দুঃখ ভুলে যেতে পারে। কষ্ট ভুলে যেতে পারে। কিন্তু আপচনের থেকে পাওয়া বিশ্বাসঘাতকতা কখনোই ভুলতে পারে না। কিছু অবহেলা মানুষকে মরতে বাধ্য করে। কিন্তু অবহেলা মানুষকে বেঁচে থাকার নতুন উপায় শেখায়। তোমার জন্য মরতে চাই না। তোমাকে ভালোবেসে হাজার হাজার বছর বাঁচতে চাই। আগের চেয়েও অনেক বেশি চুপচাপ হয়ে গেছি আমি। এরপর হঠাৎ করেই একদিন হারিয়ে যাব। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি পারলাম না তোমার যোগ্য হতে। একটা সময় আপনার মনে হবে আপনি একা একসময় বোকা ছিলেন। প্রচুর পাগলামি করতেন। একটা মানুষ যারা আপনার জন্য বিন্দুমাত্র টান ছিল না সে মানুষটার জন্য আপনার পাগলামি করতেন প্রচুর। সে একটু দেরি করে রিপ্লাই দিলেও অভিযানে আপনার চোখ ভেজে যেত। তার খবর না পেলে অস্থির হয়ে যেতেন। না হওয়া খাওয়া ভুলেই যেতেন। কত কত পাগলামি করেছেন তা কেবল আপনিই জানেন। সে মানুষটা আপনার সিরিয়াসনেস দেখেও বিরক্ত হয়ে যেত। তাই না? অনেক বছর পর আপনার মনে হবে একটা ভুল মানুষের জন্য আপনি অনেকটা সময়ে আবেগ ভালোবাসা নষ্ট করে ফেলেছেন। ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে সব শেষ করে ফেলেছিলেন। আপনার বারবার মনে হবে কি বোকাটাই না ছিলাম আমি। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।ভালোবেসে ভালোবেসেছিলাম অনেক। সেদিন সে বলেছিল এর থেকে বেশি ভালোবাসা হয় না। প্রথম দেখাতেই সে আমাকে হাজারো মানুষের মাঝে কলিজা বলে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিল। তারপর থেকে ভালোবাসার পর বিয়ে। এমন ভালোবাসা ছিল যে একটি ব্রাশ দিয়ে দুজনে ব্রাশ করতাম। একটি প্লেটে দুজনেই খেতাম। দুজন দুজনকে খাইয়ে দিতাম। খাবারের মাঝে কপালে কিস দিতাম। একটু চুলের ঘ্রাণ নিতাম। একটু নাকের সাথে নাক মিলিয়ে ঘোষা দিতাম। একটি হাড্ডি দুজনের চিবিয়ে খেতাম। সে অসুস্থ হলে আমি ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। জোর করে সালে খাওয়াতাম। দুধ ডিম খাওয়াতাম। আমাকেও করতো। গোসল করিয়ে চুল শুকিয়ে সুন্দর করে আছড়ে দিতাম। যদিও ভালো আচড়াতে পারিনি। রাতে ঘুমাতে গেলে একটি মালিশে ঘুমাতাম। সে প্রথমে আমার ডান হাতে মাথা রেখে বুকে চুপচুপ করে ঘুমাতো। আমি কপালে কিস করে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ঘুম বাড়াতাম। ডান হাতে ব্যথা হয়ে গেলে বাম হাতে ঘুমাতাম। আমি চুল খুলে আমার নাকের উপরে রেখে ঘ্রাণ নিতাম। আমরা একটি দেহ ছিলাম দুজনে মিলে। একটি মিষ্টি দুজনে মুখে দিয়ে ভাগ করে খেতাম। একটা লেজ দুজনেই চুষে খেতাম। অসাধারণ ছিল আমাদের ভালোবাসা। কোন অভাব ছিল না কিছুতে। দুজনে নামাজ পড়তাম। দাঁড়ানোর আগে একটু ভরি দিতাম। কপালে কিস করতাম। নামাজ শেষ করে জড়িয়ে নিতাম। একটু মুচকি হাসি দিতাম। কপালে কিস দিতাম। আরো কত কি। যেমন ছিল সম্মান তেমন ভালোবাসা তেমন রোমান্টিকতা। দুজনের ভেতরে কিছুতেই অভাব ছিল না। কিন্তু নিয়তির খেলা বোঝা বড়ই দেয়। আজ আর আমরা এক নেই। ভেঙে গেছে আমাদের সেই গড়ে ওঠা সবকিছু। আজ আমাদের সেই ভালোবাসা অভিযোগে পরিণত হয়েছে। সে আজ নিজেকে বদলে নিয়েছে। তার মনে আজ অন্যজনের বসবাস। আমারও কিছু ভুল ছিল। কিন্তু আমি আমার ভুলের জন্য হাঁটু গেড়ে তার সামনে বসেছিলাম। যা খুশি শাস্তি দাও তাও অন্য কারো হয়ও না। কিন্তু সে আমার বুকে সে রাত্রি ঘুমিয়ে অন্য কাউকে নিয়ে স্বপ্ন বলেছিল। আমার পাগলি আর আমার নেই আজ। সে অন্য ঘরে বাসা বেঁধেছে। কিন্তু আমি কি নিয়ে বাঁচবো? কই পাবো আমার পাগলিকে? কে এনে দেবে তাকে? আমি যে তাকে ছাড়া ঘুমাতেই পারিনা, খেতে পারিনা, চলতে পারি না। আজ থেকে কল দিলেও কথা বলার সময় নেই তার। কিন্তু অন্য কারো সাথে কথা বলার অনেক সময় তার। ভেঙে গেল সুখের খাঁচাটা। আজ আমি দিশেহারা। আমার বুকটা আজ ব্যথায় ভরপুর। আমি মেরে নিতে পারছি না। আমি থাকতে পারছি না তাকে ছাড়া। কিন্তু আমার শূন্য এই জায়গাটা কি পূরণ করবে? কাউকে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে যখন অবহেলিত হচ্ছো তখন সেই মানুষটাকে মূল্য দেয়া বন্ধ করে দাও। তোমার যেখানে মূল্য নেই সেখানে মূল্য দেয়া বোকা আমি। যে মানুষটা তোমাকে অবহেলা করছে, ইগনোর করছে, তুমি তখন তার অবহেলা কিংবা ইগনোরকে প্রশ্রয় দিও না। বরং তুমি তোমার মত করেই নিজেকে ব্যস্ত রাখো। এতে করে মানুষটা যেন বুঝতে পারে যে তুমি তাকে ছাড়া দিব্যে ভালো থাকতে পারো। অবহেলা কিংবা ইগনোরের মার্তা তখনই পেরে যায় যখন অপর মানুষটা বুঝে যায় যে তুমি তাকে ছাড়া অচ। অর্থাৎ তোমার পুরোটা দিন রাত তুমি তাকে নিয়েই পড়ে আছো। মানুষ তখনই অন্যকে তুচ্ছ ভাবা শুরু করে যখন তার কাছে অন্য কেউ নিজেকে বিলিয়ে দেয় ছোট করে দেয়। কেউ তোমাকে চাইলে অবহেলা করার সুযোগ পাবে না। যদি তুমি তাকে সেই সুযোগটা না দাও। তোমার প্রতি যে মানুষটা যতটুকু গুরুত্ব দেখাবে তোমারও সেই ততটুকু গুরুত্ব দেয়া উচিত। অতিরিক্ত গুরুত্ব দিলে মানুষটা তোমাকে গুরুত্বহীন ভাববে শুরু করবে। একদম। কারো কাছে অবহেলার পাত্র হওয়ার থেকে জীবন থেকেই সে মানুষটাকে মুছে ফেলা ভালো। যদিও এতে করে কিছুটা কষ্ট হবে কিন্তু কারো কাছে নিজেকে ধুকে ধুকে শেষ হয়ে যেতে হবে না। যে তোমাকে এখনই অবহেলা করছে সে পরে আরো বেশি করে অবহেলা করবে। যদি তুমি মানুষটাকে বেশি মূল্য দিতে থাকো। যে তোমার আকুতি মিলনতি বোঝে না তোমার মনের কষ্ট যার মনে বিন্দুমাত্র অনুভব হয় না সে মানুষটার যাই হোক তোমার মনের হাহাকার কোনদিনও বুঝবে না মানুষটা দিন শেষে তোমাকে ঠিক অবহেলার পাত্রই বানিয়ে যাবে কারো কাছে অবহেলার পাত্র হওয়াটা যেমন কষ্টের ঠিক তেমনিই লজ্জার বিষয় প্রয়োজনের চেয়ে তুমি যখন কাউকে অতিরিক্ত মূল্য দিবে তখন সে মানুষটা তোমাকে সস্তা ভাবতে শুরু করবে সেই সাথে নিজেকে কে অহংকারী মনে করবে। কারণ অতিরিক্ত মানুষ কোন কিছুই হজম করতে পারে না। হোক সেটা কেন কিংবা ভালোবাসা। জীবনে কারো উপর খুব বেশি ভরসা রাখতে নেই। কাউকে জীবনের সাথে খুব বেশি সিরিয়াসলি নিতে নেই। কারণ তুমি যখন কাউকে সিরিয়াসলি নিবে ঠিক তখনই মানুষটা বদলে যেতে শুরু করবে। কারণ মানুষের ধর্মই হলো সবটা পেয়ে গেলে বদলে যাওয়া। কখনো একটা ছেলে আর মেয়েকে একসাথে রাস্তায় হাঁটতে কিংবা রাস্তা পার হওয়ার সময় লক্ষ্য করলে দেখবেন যে রাস্তার যে পাশটায় গাড়ি ছেলেটা ওই পাশেই থাকে। ছেলেটা মেয়েটাকে দ্রুতগামী গাড়ি থেকে বাঁচিয়ে রাখে। ব্যাপারটা এমন নয় কিন্তু ছেলেটার মধ্যে জিনিসটা কাজ করে যে যদি কখনো গাড়ি এইদিকে আসে তবে যেন আগে আমাকে আঘাত করে। এই ব্যাপারটা ছেলেদের মধ্যে বিল্ট ইন ভাবে থাকে। সম্ভবত এই আগুনে রাখার ব্যাপারটাই রেসপন্সিবিলিটি। লোকমুখে শোনা যায় ছেলেরা নাকি আজীবনের শিশু হেরা বড় হয় না। কথাটা কিন্তু আসলেই সত্য। কারণ জীবনের প্রত্যেকটা বয়সেই ছেলেরা শিশুদের মত রূপকথায় বিশ্বাস করে। যেমন ধরুন আগামীকাল পরীক্ষা আর ছেলেটার পাহাড় সময় সিলেবাস বাকি। কিন্তু এরপরেও সে বিশ্বাস করে কোন এক দৈব বলে হয়তো সে এক রাতেই সিলেবাস শেষ করতে পারবে। মাসের 20 তারিখে বেতনের টাকা শেষ হলেও এরাভাবে প্যারা নেই। চালায় নিতে


সৌদি আরব যেটা কিনা মুসলমানদের জন্য এতটা পবিত্র একটা জায়গা আল্লাহর ঘর এখানে অবস্থিত মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মস্থান এখানে সব মিলায়া যেখানে সৌদি আরবের উচিত ছিল পুরা বিশ্বের মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব করা কিন্তু তা সত্ত্বেও যখন মুসলমানদের পক্ষে আওয়াজ তোলার প্রশ্ন আসে তখন অনেক ক্ষেত্রেই সৌদি আরব কেন চুপ মেরে বসে থাকে। এইটাকে হিপোক্রেসি বলেন, কাপুলসতা বলেন, বিভিন্ন সময়ে ইরাক, ইরান, সিরিয়া, লিবিয়া, ইয়েমেন কিংবা সুদানের মতন মুসলিম দেশের বিরোধিতা করার মাধ্যমে কিংবা ইসরাইলের মতন আমাদের ফিলিস্তিনি মুসলিম ভাইদের বিরোধী শক্তিকে সাপোর্ট দেওয়ার মাধ্যমে হোক, সৌদি আরব এই হিপোক্রেসি দেখাইছে। বড় ভাই আমেরিকার প্রতি সাপোর্টকে সৌদি আরব এমন লেভেলে নিয়ে গেছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্পও এখন কনফিডেন্টলি বলেন আব্রাহাম অ্যাকর্ড যেটা কিনা ইসরাইলের সাথে আরব দেশগুলোর সম্পর্ক নরমাল করার একটা চুক্তি সেইটাই নাকি সৌদি আরব জয়েন করবে সৌদি আরবের মতন একটা দেশ যেখানে মানুষ হজ করতে যায় তারা যদি ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়া দেয় সেটা কতটা বাজে হয় একবার চিন্তা করেন আর হজকে কেন্দ্র করে। তারা বিশাল একটা রমরমা ক্যাপিটালিস্ট মার্কেট তৈরি করে ফেলছে কাবা ঘরের এর একদম সামনের দিকের হোটেলগুলাতে এক রাত থাকতে চাইলে আপনাকে গুনতে হবে 300 থেকে 400 ডলার মানে 30 থেকে 40 হাজার টাকার মত আর কাবা ঘর থেকে যত দূরের হোটেলে থাকবেন তত কম ভাড়ায় আপনি পাবেন এই 30-40 হাজার টাকা দিয়ে এক রাত থাকবে এরকম সাধ্য কয়জন হাজির আছে আল্লাহর ঘরের সামনে থাকা নিয়ে এইখানেও ধনী আর গরীবের মধ্যে একটা বিভেদ তৈরি হয়ে যাইতেছে না সিজন বুইঝা মক্কার হোটেলের ভাড়া অনেক গুণ বাড়ায়া ফেলা হয় আমরা এই সম্পর্কে রিসেন্টলি হজ করা অনেকজনহাজীর সাথেই কথা বলছি। ইভেন সৌদি আরবে থাকা অনেক প্রবাসী বলতেছেন গত কয়েক বছরে ফলমূল কিংবা চায়ের মতন জিনিস অনেক ক্ষেত্রেই সৌদি সরকার ভরতুকি কমায় দিছে। যেটার পিছনে মূলত তাদের ক্যাপিটালিস্ট মাইন্ডসেটটা দায়ী। আগে যেই চা এক থেকে দুই রিয়ালে পাওয়া যাইতো, মূল্যস্ফীতি বাদ দিলেও, এখন দুই থেকে তিন বছরের ব্যবধানে সেই চা পাঁচ থেকে ছয় রিয়ালে যে পাওয়া যায়, এতগুণ দাম বৃদ্ধিকে আপনি কিভাবে জাস্টিফাই করবেন? অনেক ইন্টারন্যাশনাল এক্সপার্ট হজ নিয়ে সৌদির এই ব্যবসাকে হোলি বিজনেস এই নামে আখ্যায়িত করছেন। লিবিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি সাদিক আর ঘারিয়ানীতো 2019 সালে দ্বিতীয়বার হজ করাকে গুনাহের শামিল বলেও আখ্যায়িত করছিলেন কারণ তার মতে এই টাকা দিয়ে সৌদি সরকার মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ক্রাইম করে থাকে। সব মিলায়ে কি এইটা মনে হয় না সৌদি আরবের পুরা পবিত্রতার আড়ালে আসলে একটা অন্ধকার রাজনীতি লুকায় আছে তা না হলে তারা কেন মুসলিম ভাইদের পক্ষে মুসলিম অত্যাচারিত দেশগুলার পক্ষে দাঁড়াইতে পারে না সৌদি রাজনীতির এই সবগুলো বিষয় নিয়ে আমি আজকের ভিডিওতে আলোচনা করব তো চলুন শুরু করা যাক একটা জিনিস বলি ভিডিওটা ধর্মীয় বিষয়ে খুবই সেনসিটিভ জিনিস কোন ধর্মীয় মতামত আমি ব্যক্তি এনায়েদ চৌধুরী হিসেবে এনডোর্স করে এই ভিডিওতে বলতেছি না আমি শুধু উদাহরণ হিসেবে ঘটনাগুলোকে তুলে ধরলাম যেমনটা লিবিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি সাদিক আর ঘারিয়ানীর মতামত। প্রথমে চলেন দেখি পুরা বিশ্বের পার্সপেক্টিভে এবং মধ্যপ্রাচ্যের পার্সপেক্টিভ থেকে সৌদি আরবের অবস্থানটা আসলে কোন জায়গায়। সৌদি আরব পুরা বিশ্বের একটা প্রভাবশালী শক্তি হওয়ার পিছনে মূল কারণ হচ্ছে তাদের তেল। দুনিয়াতে সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারী দেশ হচ্ছে সৌদি আরব। পুরা বিশ্বের যত তেল রপ্তানি হয় তার 16% রপ্তানি করে এই সৌদি আরব। সেকেন্ড পজিশনে।যারা আছে নাম রাশিয়া। 9% এর মতন তেল ওরা রপ্তানি করে চিন্তা করেন সৌদি আরবের প্রায় অর্ধেক সৌদি আরব কত বেশি তেল রপ্তানি করে একবার ভাইরা দেখেন শুধুমাত্র এইটা তাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখতেছে এমন না রাজনৈতিকভাবে সামরিকভাবেও তাদেরকে শক্তিশালী করতেছে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটা সংগঠন যেটা ওপেক বিশ্ববাজারে যারা জ্বালালি তেলের দাম আর উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে ওদের নেতৃত্বে থাকে সৌদি আরব ওপেক গঠন করা হয় 1960 সালে এবং বলতে পারেন তখন থেকেই সৌদি আরব এটার নেতৃস্থান পর্যায়ে আছে। এইটার মানে হইতেছে বিশ্ববাজারে তেলের যে দাম সেটা যেকোনো। সময়ে বাড়ানো কিংবা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার যে ফ্লেক্সিবিলিটি এইটা সৌদি আরবের হাতে আছে। আর এই তেলের কারণেই আমেরিকার সাথে সৌদি আরবের এতটা ভালো সম্পর্ক। ইউএসএ যে বিশাল সামরিক খাত, জ্বালানি খাত, শিল্প খাত কিংবা পরিবহন খাত আছে, গাড়িটারি আছে, এই সবকিছু মিলে তাদের প্রচুর পরিমাণ তেলের দরকার হয়। খেয়াল রাখবেন ইউএসএ কিন্তু পুরা বিশ্বের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি তেল উৎপাদন করা দেশ সৌদি আরব করে সবচেয়ে বেশি তেল রপ্তানি পুরা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন করে আমেরিকা এত তেল উৎপাদন করার পরেও সৌদি আরব থেকে তারা 7%
এর মতন ক্রুড অয়েল আমদানি করে থাকে বুঝেন আমেরিকার তেলের চাহিদা কত বেশি আমেরিকায় পুরা শহরের ডিজাইন এমনভাবে করা গাড়ি ছাড়া আপনি চলতেই পারবেন না আর এই গাড়ির বেশিরভাগই চলে তেলের মাধ্যমে অন্যদিকে ইউএসএ যেসব সামরিক সরঞ্জাম আর্মস বানাইতেছে এইটার সবচেয়ে বড় কাস্টমার বা খরিদ্বারদার হচ্ছে সৌদি আরব। এই কয়দিন আগেই সৌদির সাথে 142 বিলিয়ন ডলারের আর্মস ডিল করছে ইউএস যেটা কিনা একটা রেকর্ড এইটাকে বলা হইতেছে ওয়াশিংটনের করা সবচেয়ে বড় ডিফেন্স কোঅপারেশন এগ্রিমেন্ট। আমি যখন এই ভিডিওটা বানাইতেছি ট্রাম্প তখন সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব। আমিরাত ভিজিট করতেছেন আমেরিকা সৌদি আরবকে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ মনে করে? এই সামরিক খাত তার একটা বড় কারণ। যদি আপনি মধ্যপ্রাচ্যের পার্সপেক্টিভ থেকে দেখেন, সৌদি আরব চায় এই অঞ্চলের মধ্যে নিজেদেরকে এক নাম্বার নেতৃত্বের পর্যায়ে যাতে নিয়ে আসতে পারে। আর এইখানে তাদের সবচেয়ে বড় বাধার নাম হচ্ছে ইরান। এই ইরানকে টেক্কা দেওয়ার জন্যই সৌদি আরব অনেক সময়ই এই অঞ্চলের অন্যান্য মুসলিম দেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে তাদেরকে বাধা দেয় যেমন 2017 সালে সৌদি আরব এবং তার বন্ধু রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত বাহরাইন ওরা মিলে।।কাতারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আর অর্থনৈতিক অবরোধ দেয় তাদের মতে কাতার বিভিন্ন আঞ্চলিক সন্ত্রাসী গ্রুপকে টাকাপয়সা এইসব দিয়ে সাহায্য করে থাকে এটা আসলে কাদের ইশারায় করা হয়েছে আপনারা আশা করি বুঝতেছেন ইউএসএ বা আমেরিকা ট্রাম্পেরই এই টুইট থেকেও এটা ক্লিয়ার। আরেকটা উদাহরণ দেওয়া যায় যেখানে সৌদি আরব অন্য একটা মুসলিম দেশের গৃহ সংঘাতে জড়ায় পড়ছিল। সেটা হচ্ছে 2015 সাল থেকে চলা ইয়েমেন সংঘাত। ইয়েমেন বলেন ইরান বলেন এখানে শিয়া বনাম সুন্নি একটা গ্যাঞ্জাম তো আছেই। ইরান ইয়েমেন এখানে অনেক শিয়া জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে। এদিকে সৌদি আরব একটা,সুন্নি প্রধান জনগোষ্ঠীর দেশ। যাইহোক 2015 সালে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন একটা সামরিক জোট ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সরাসরি বিমান হামলা শুরু করে। হুথি গোষ্ঠী শিয়া মতবাদ অনুসরণ করে। আর ইরান হচ্ছে তাদের পৃষ্ঠপোষক। সৌদি আরব তাই এটাকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য একটা হুমকি মনে করতেছে। ফলে একটা মুসলিম দেশের গৃহ সংঘাতে জড়ায় পড়ার কারণে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ কিন্তু নিহত হয় এবং ইয়েমেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটগুলোর একটাতে পরিণত হয়। বুঝতেই পারতেছেন ইসরাইলের বিরুদ্ধে কথা বলার সময় সৌদি আরব মিন মিন করে। আর এই দিকে মুসলিম ভাইদের।
দেশের রাজনীতিতে যাইয়া আবার হস্তক্ষেপ করে। তারা আবার আঞ্চলিক আর বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেদের প্রভাব বাড়ায় নেওয়ার জন্য ভিশন 2030 এর পিছনে উইঠা পইড়া লাগছে এইটা হইতেছে মূলত সৌদি আরব অনেক বেশি ডিপেন্ডেন্ট ওদের তেলের উপরে ওরা শুধু তেলের উপরে নির্ভরশীল থাকতে চায় না ওদের অর্থনীতিটাকে ওরা বহুমাত্রিক করতে চায় এইটা বাদশাহ সালমানের একটা ভিশন যেটা বলা যায় উনি 2016 সাল থেকে শুরু করছিলেন এই যে সৌদি আরব তাদের ফুটবল লীগে রোনালদো বেনজেমা এইরকম মানের মত এত দামি দামি প্লেয়ার আনছে এইটাও এই প্ল্যান এর অংশ তারা স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি করে এইটাকেও।একটা টাকা পয়সা আয় করার সেক্টর বানাইতে চায়। এছাড়া তারা বানাইতেছে নিয়ম সিটি। যেটা কিনা সৌদি আরবের একটা উচ্চ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব স্মার্ট মেগা সিটি নির্মাণ প্রকল্প সবকিছুতেই তারা নির্দিষ্ট কিছু টার্গেট সেট করে রাখছে যেটা ওরা 2030 সালের মধ্যে এচিভ করতে চায়। আর এইখানেই চলে আসে হজ নিয়ে যেই ব্যবসাটা সেইটার কথা। হজকে কেন্দ্র করে পুরা ব্যবসার যে ইকোসিস্টেম গড়ে উঠছে এটা ফেয়ার নাকি আনফেয়ার আপনার বিবেচনার উপরে আমি ছাইড়া দিলাম। তবে এইখানে সৌদি আরব বা সৌদি সরকারের যে একটা বিশাল স্টেক আছে এইটা।একটা টাকা পয়সা আয় করার সেক্টর বানাইতে চায়। এছাড়া তারা বানাইতেছে নিয়ম সিটি। যেটা কিনা সৌদি আরবের একটা উচ্চ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব স্মার্ট মেগা সিটি নির্মাণ প্রকল্প সবকিছুতেই তারা নির্দিষ্ট কিছু টার্গেট সেট করে রাখছে যেটা ওরা 2030 সালের মধ্যে এচিভ করতে চায়। আর এইখানেই চলে আসে হজ নিয়ে যেই ব্যবসাটা সেইটার কথা। হজকে কেন্দ্র করে পুরা ব্যবসার যে ইকোসিস্টেম গড়ে উঠছে এটা ফেয়ার নাকি আনফেয়ার আপনার বিবেচনার উপরে আমি ছাইড়া দিলাম। তবে এইখানে সৌদি আরব বা সৌদি সরকারের যে একটা বিশাল স্টেক আছে এইটা জেনারেট করে। শুধুমাত্র এই ইন্ডাস্ট্রি থেকে তেল ছাড়া অন্য যে নন অয়েল ইন্ডাস্ট্রি আছে সেই নন অয়েল জিডিপির 20%ই সৌদি আরবের আসে এই হজ থেকে যেটা কিনা প্রতিবছর বাড়তেই আছে বাড়তেই থাকবে। সৌদি সরকারের এই ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে অনেক বড় একটা ভিশন হইতেছে 2030 এর মধ্যে হজ আর উমরা মিলায়ে 30 মিলিয়ন মানুষকে প্রতিবছর নিয়ে আসা এবং তাদের টার্গেট 2032 এর মধ্যে এটাকে 350 বিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত করা 350 বিলিয়ন ডলার মানে বুঝতেছেন বাংলাদেশের টোটাল জিডিপি কিন্তু 400 বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি নিউজিল্যান্ড গ্রিসের মতন দেশের বর্তমান ।জিডিপি 250 বিলিয়ন ডলারের মতো সেইটা থেকেও আরো 100 বিলিয়ন ডলার বেশি আনার চিন্তা করতেছে সৌদি সরকার। এই হজ থেকেই সৌদি আরবের মক্কা আর মদিনা মিলায় বর্তমানে 2000 এর মত হোটেল আছে। যেখানে 3 লক্ষ 84,500র মত হোটেল রুম আছে। এর মধ্যে মক্কাতেই 1300র বেশি হোটেল। যেটা কিনা সৌদির রাজধানী রিয়াদের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি। এর মধ্যে আছে ম্যারিয়ট। হায়াতের মতন কোম্পানির হোটেল। এইসব হোটেলে কিন্তু আপনি আমি থাকতে পারব না। ম্যারিয়ট বা হায়াতের মতন হোটেল গুলায় এক রাত থাকতে গেলে আপনাকে খরচ করতে হবে 150 থেকে 250 ডলার। কাবা ঘরের একদম কাছাকাছি যে।হোটেলগুলা তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে রেফেলস মাক্কা প্লেস। এইখানে থাকতে হলে আপনাকে এক রাতের জন্য খরচ করতে হবে কমপক্ষে 400 ডলার। ফেয়ারমন্ট মাক্কা ক্লক রয়াল টাওয়ার বা সুইশ অটোল আল মাকাম। এইখানে থাকতে হলে আপনাকে খরচ করতে হবে কমপক্ষে 300 ডলার। আর হোটেল থেকে সরাসরি কাবার ভিউ যদি পাইতে চান ঐখানে তো আরো খরচ করা লাগবে। আমার আপনার এই সাধ্য হয়তো হবে না। প্রতিবছর প্রায় দুই মিলিয়ন হাজী সৌদি আরবে যে হজ করতে আসে তাদের বেশিরভাগই মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত মুসলিম। তারা যেহেতু এসব হোটেলে থাকতে পারবে না। এইগুলো আসলে।।বানানো হইতেছে কাদের জন্য? হজ পালন হইতেছে ঠিকই। কিন্তু তার পাশেই তৈরি হইতেছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের হসপিটালিটি মার্কেট যার মূল টার্গেট হচ্ছে ভিআইপি হজ যাত্রী ধনী পর্যটক। আর কর্পোরেট প্যাকেজের মানুষজন এইটা শুধু আমার কথা না মক্কার স্থানীয় মানুষরাও এই ব্যাপারে এগ্রি করেন এই আর্টিকেলটা আপনারা দেখতে পারেন যদিও এটা 2013 সালের আর্টিকেল তবেও এইখানে কিছু অপ্রিয় সত্য তুলে ধরা হয়েছে মক্কায় ক্লক টাওয়ার যেটা আছে সেটাই হইতেছে ধনী গরীবের মধ্যে বিভেদের একটা সিম্বল এই টাওয়ারটা দাঁড়ায়ে আছে এক সময়কার অটোম্যান দুর্গ ভেঙে ফেলে তৈরি করা জমিতে।যার মালিকানা দেওয়া হয়েছে সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় এবং প্রভাবশালী কনস্ট্রাকশন কোম্পানি সাউদি বিন লাদেন গ্রুপকে অনেকের এর মতে এই কনস্ট্রাকশন কোম্পানির কাছে বলতে গেলে মক্কাটাকেই বেঁচে দেওয়া হইছে। যাই হোক জায়গাটা তারা একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য লিজ নিছে। কেউ বলেন 20 বছর, কেউ বলেন 30 বা 40 বছরের জন্য। পরে একটা নির্দিষ্ট অর্থ তারা সরকারকে দিবে। যেটা মসজিদের সম্প্রসারণে ব্যয় করা হবে। কিন্তু লোকালদের অনেকের মতেই পুরা সিস্টেমটা রবিনহুডের মতন শোনাইলেও গরীবদের জন্য আসলে কিছু যায় না। সব অর্থ আবার ফেরত যায় ব্যবসায়ী আর পেট্রো।।মনার্ল্টদের পকেটে। মক্কার সাধারণ মানুষ এই ক্লক টাওয়ারকে ওয়াকফুলিল হারামাইন সারেফাইন অর্থাৎ দুই পবিত্র মসজিদের জন্য ওয়াকফো হিসেবে উপস্থাপন করতে দেখে এবং এটাকে এক ধরনের বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা দেখতে পান। তবে বাস্তবে এটা কেমন যেন ইসলামকে কর্পোরেট সেক্টরে ব্যবহার করার একটা প্রয়াস। সেখানে আধ্যাত্মিকতা, ইতিহাস কিংবা সামাজিক ন্যায়ের জায়গাটাই যেন অনেকটা হারায়ে যাইতেছে। এইটা তো বললাম শুধু হোটেল বিজনেসের কথা। আপনি খেজুর বলেন, জমজমের পানি বলেন, বিভিন্ন ধর্মীয় পণ্য, জুয়েলারিস সব মিলায় একটা বিশাল বিজনেস হাব হয়ে উঠছে এই শহরটা।হজকে কেন্দ্র করে সৌদি সরকার বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন হোটেল, মল, গাইডিং সার্ভিস, কনস্ট্রাকশন টেন্ডার দিতেছে। হজ পালন এখন শুধু আত্মার শুদ্ধি না বরং কখনো কখনো সেটা হয়ে যায় ধনীদের একটা শো। একরকম ধর্মীয় ছুটির মতো একটা সিম্বলিক প্রেস্টিজ। অনেক এক্সপার্টের মতে হজ একসময় এমন একটা পর্যায়ে চলে যেতে পারে যেখানে এইটা আর আত্মিক সাধনার জায়গা থাকবে না বরং এটা হয়ে যাবে এক ধরনের ম্যাটেরিয়ালিস্টিক ইভেন্ট মানুষ আত্মার শুদ্ধির জন্য যাবে না বরং কার কত টাকা আছে অর্থ ক্ষমতা আছে নিজের স্ট্যাটাস শো করার।জন্য কে কতবার হজ আর ওমরা করছে এইটা দেখানোর জন্য মানুষ হজ করতে আসবে নরক নৃবিজ্ঞানী আব্দুল্লাহ হাম্মউদ বলতেছেন মক্কার এই রূপান্তরটা এখন সাবলাইম আর সিনেম্যাটিকের মাঝামাঝি একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে মানে একদিকে স্রষ্টার সাথে একটা স্পিরিচুয়াল কানেকশন, অন্যদিকে লোক দেখানো সিনেমা। এই দুইটার মাঝামাঝি অবস্থান দিয়েছেন তিনি। কেউ কেউ বলছেন মক্কা এখন একরকম ডিজনিল্যান্ড লাস ভেগাস কম্বোতে পরিণত হয়েছে। যেখানে ধনীরা তাদের বিলাসবহুল জীবনযাপন শো করতে আসে। সৌদি সরকারের ভিশন 2030 এর মধ্যে স্পষ্টতই বলা আছে তারা হজ্ আর ওমরা সফরকেও লাভজনক।।টুরিজম প্রোডাক্ট বানাইতে চায়। ইবাদতের শহর এখন হয়ে উঠছে ব্যবসার রাজধানী। এর মধ্যে আবার আছে সৌদি সরকারের টাইট কন্ট্রোল হজের জন্য একটা নির্ধারিত কোটা সংখ্যা আছে যেটা নির্ধারণ করা হয় সৌদি সরকারের সিদ্ধান্তে নির্দিষ্ট কিছু এজেন্সিকে অনুমোদন দেওয়া হয় যারা হজ প্যাকেজ বিক্রি করে এই প্যাকেজের মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মধ্যসত্বভোগীদের কমিশন যুক্ত হয় অনেক সময় ভিসা না পাওয়ার ঝুঁকি থাকে কোথাও কোথাও প্রতারণাও হয় ফ্লাইটের দাম কমলেও দেখা যায় পুরা প্যাকেজের দাম কমে না বরং অনেক সময় তা আরো বাড়ে আমি মানতেছি ইসলামে বলা হয়েছে।।হজ করার সামর্থ্য না হইলে হজ করতেই হবে। ব্যাপারটা এরকম না। কিন্তু এই যে একটা ব্যবসায়িক ইকোসিস্টেম তৈরি করা হয়েছে। হজ করার জন্য খরচ প্রতিবছরই যে বাড়তেছে এবং সেটা মূল্যস্ফীতি বাদ দিলেও যেই কারণে অনেক মুসলিমই তাদের শত আকাঙ্ক্ষিত কাবাকে একটা বারের জন্য জীবনে দেখতে পারতেছেন না? এই ব্যাপারটাকে কি আপনি অনেকটা ফ্রাস্ট্রেটিং বা হতাশাজনক বলবেন না? আমি বলতেছিনা সৌদি সরকার হাজীদের জন্য সবকিছুই নেগেটিভ করতেছে। ডেফিনেটলি সরকার হজ যাত্রীদের জন্য অনেক কিছু সহজ করছে। মিনার মত জায়গায় ইলেকট্রিক ট্রেন, আধুনিক রাস্তা, শত শত পরিষ্কার টয়লেট, নিরাপত্তা,ব্যবস্থাও তারা উন্নত করছে। ফ্রিতে পানি দিতেছে। তারা চাইতেছে হজকে সুপরিকল্পিত, সুসজ্জিত করতে। কিন্তু কথা হইতেছে ইবাদত আর ব্যবসা, আত্মশুদ্ধি আর বিলাসিতা এইসবের মাঝে যে জটিল ভারসাম্য টানতে হয় সেইটাকে আসলেই রক্ষা করতে পারতেছে সৌদি সরকার। এমনকি হজকে তারা অনেক সময় কূটনীতির হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করে। সৌদি আরবের মতাদর্শী বিরোধী যেসব মুসলিম দেশ আছে তাদের হাজীদের কোটা কমায় দেয়া তাদেরকে শাস্তি দেয়। অথচ তারাও কিন্তু মুসলিম তাদেরও আল্লাহর ঘর দেখার সমান অধিকার আছে। তুরস্ক, ইরান, ইন্দোনেশিয়া আর মালয়েশিয়া এটার শিকার হইছে। তার মানে হজ।এখন শুধুমাত্র ধর্মীয় আনুগত্যই না বরং সৌদির ভূ রাজনৈতিক স্বার্থের একটা প্রতিচ্ছবিও বটে। ওভারঅল সামারি যদি করি আপনার কি আলোচনা থেকে মনে হইতেছে না? পুরা মুসলিম বিশ্বের নেতা হইতে চাওয়া এই সৌদি আরব ধর্মের সাথে রাজনীতি আর ব্যবসাকে মিলায়ে ফেলতেছে। ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটা কতটা ফেয়ার কমপক্ষে মুসলিম ভাইদের পক্ষে তারা একটা দায়িত্ব নিবে এতটুকু তো আমরা এক্সপেক্ট তাদের কাছ থেকে করতেই পারি। আজকের ভিডিও এখানেই শেষ। আপনার যদি এই ধরনের কন্টেন্ট গুলো ভালো লাগে আপনি চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন এবং পাশে থাকা বেল আইকনটা প্রেস।এখন শুধুমাত্র ধর্মীয় আনুগত্যই না বরং সৌদির ভূ রাজনৈতিক স্বার্থের একটা প্রতিচ্ছবিও বটে। ওভারঅল সামারি যদি করি আপনার কি আলোচনা থেকে মনে হইতেছে না? পুরা মুসলিম বিশ্বের নেতা হইতে চাওয়া এই সৌদি আরব ধর্মের সাথে রাজনীতি আর ব্যবসাকে মিলায়ে ফেলতেছে। ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটা কতটা ফেয়ার কমপক্ষে মুসলিম ভাইদের পক্ষে তারা একটা দায়িত্ব নিবে এতটুকু তো আমরা এক্সপেক্ট তাদের কাছ থেকে করতেই পারি। আজকের ভিডিও এখানেই শেষ। আপনার যদি এই ধরনের কন্টেন্ট গুলো ভালো লাগে আপনি চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন এবং পাশে থাকা বেল আইকনটা প্রেস
বিয়ে করে বাসর ঘরে ঢুকে প্রচণ্ড এক্সাইটেড ছিলাম
রুমে ঢুকেই হাসিমুখে বউকে জিজ্ঞেস করলাম, “কেমন লাগছে তোমার?” (মনে করলাম এটা শুনে বউ একটু সহজ হবে)
বউ ঠান্ডা ভঙ্গিতে বলে, “ভদ্রতা রাখেন, আমি আপনার চেয়ে অনেক ভালো কাউকে ডিজার্ভ করতাম… কিন্তু ভাগ্য খারাপ ছিল, এখন ফেঁসে গেছি।”
আমি তো মাথা নিচু করে চুপ করে গেলাম — মনে মনে ভাবলাম, এ জীবনে এটাই বুঝি প্রথম ধাক্কা! এ আমি কাকে সহজ করার কথা ভাবছিলাম !!!
কিছুক্ষণ পর সে খাটে হেলান দিয়ে বলে, “এত ভদ্র হওয়ার দরকার নাই। দাঁড়িয়ে থাকবেন না, বসেন। আর ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ড দেন… রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস আপডেট দিতে হবে।”
আমি দ্বিতীয় ধাক্কাটা খেলাম, একেবারে নির্বাক!
বিয়ের আগের রাতে ঘুম হয়নি, কয়েকটা কবিতা মুখস্ত করেছিলাম বাউকে শুনবো বলে।কিন্তু সে তো একেবারে মুড চেঞ্জ করে দিলো।
ফোন ঘাঁটতে ঘাঁটতে হঠাৎ বলে,
“শুনেন, বিয়ের আগে যা করেছেন, ওসব নিয়া আমার কোনো মাথাব্যথা নাই… কিন্তু এখন যদি কিছু করেন, তাহলে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিব, আর বলবো আপনি আত্মহত্যা করছেন।লাউড এন্ড ক্লিয়ার?”
আমি বললাম, “আমি তো কখনো প্রেম করিনি… এক্স তো দূরের কথা, অতীতটাও সাদামাটা।”
বউ বললো , “আপনার চেহারা দেখলেই বোঝা যায়! আমার সুবিধাই হলো, আপনাকে জামাই হিসেবে সহজে ম্যানেজ করা যাবে।
কিন্তু এক্স না থাকায় সমস্যা আছে — সারারাত গল্প করবো কিসের?”
দুই দিন পর শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছি, রাস্তায় সে তার পুরনো প্রেমের স্মৃতিগুলো এমনভাবে বলছিলো, আমি তো অবাক!১৫-২০ টা এক্সের বাড়ি একে একে চিনিয়ে দিলো।
আমি মাথা গরম কিন্তু ঠান্ডা গলায় বললাম, “চুপচাপ বসো, গান শুনি…”
শ্বশুরবাড়ি ঢুকতেই দেখি আত্মীয়স্বজন প্রস্তুত।
আমি গাড়ি থেকে নেমে সালাম দিলাম, আর সে বাবাকে জড়িয়ে হাউমাউ করে কান্না শুরু করলো।
আমি একটু ঘাবড়ে গেলাম— “এই কাঁদছে কেন হঠাৎ?”
রাতে সে এসে দরজা বন্ধ করে সেলোয়ার কামিজ পরে বললো, “এটা আমার পুরানো রুম, দরজা লাগিয়ে দিয়েছি। এখন আপনি সিগারেট খান, আমি দেখবো।
আর কান্না দেখে দুর্বল ভাববেন না — “ওটা ছিলো পুরোটাই অভিনয়! বাবাকে একটু বুঝলাম ওনাকে অনেক মিস করেছি ক’দিন”
শ্বশুর আব্বা পরদিন আমার সাথে বাজারের রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে নিজেই সিগারেট অফার দিলেন। বললেন,
“আমার মেয়ে খুব ভালো। তোমাকে সম্ভবত অনেকটা পছন্দ করেছে। আজ দুপুরে যখন তুমি ঘুমিয়ে ছিলে, সে তোমার একটা পুরো বই পড়ে ফেলেছে।
পরে বই না পেয়ে তোমার পেশেন্টদের কেস হিস্টিও পড়েছে!”
আমি তখনই বুঝে গেছি — আমার বউ একেবারে আলাদা ধরনের মানুষ!
চার মাসে দেখলাম, ও যেন সুন্দর থেকে আরও সুন্দর হয়ে উঠছে।
একদিন শাড়ি পরে কপালে কালো টিপ দিলো — আমি অপলক তাকিয়ে ছিলাম।
সে বলে, “এইভাবে তাকিয়ে আছেন কেন?”
– “প্রেমে পড়ে যাচ্ছি।”
– “উহু, প্রেমে পড়া যাবে না। এখন খেতে আসেন।”
বাচ্চার প্রসঙ্গে বলতেই একদিন বলে, “না না, এখন না, আমি নিজেই একটা বাচ্চা।” আবার আর একটা বাচ্চা দিয়ে কি করবেন??
কয়েকদিন পর বলে, “নেবো, বান্ধবীদের ২-৩টা বাচ্চা হয়ে গেছে, পরে আমাদেরটা ছোট থাকবে — মানায় না!”
আমি বিদেশ যাচ্ছি, এয়ারপোর্টে গিয়ে কান্নাকাটি শুরু!
আমি ভাবছি, “এত অল্প দিনের জন্য যাচ্ছি, কাঁদছে এত কেন?”
সে বলে, “তোমার জন্য কাঁদছি না, আমার এক্সও একবার বাইরে গিয়েছিলো, তারপর আর যোগাযোগ করেনি। তার কথা মনে পড়েছে।”
……..দুজনেই হেসে ফেললাম।
বিমানে বসে ভাবলাম,
আমি সত্যি সত্যি প্রেমে পড়ে গেছি এই মেয়েটার।
চার মাসে ও আমার চারপাশে যে ভালোবাসার দেয়াল তুলে দিয়েছে, সেটা ভাঙার ক্ষমতা কারো নেই।
কিছু আবেগ কিছু মায়া… সাত জন্মেও কাটে না…জন্মানতর বলে কিছু থাকলে এই ভালবাসাটাকেই প্রত্যকে জন্মে চাইতাম প্রবলভাবে।
এক জীবনে এই তীব্র ভালোবাসার অনুভূতির পুরোটা কোনোভাবেই অনুভব করা সম্ভব না।

Seeing people cheating and deceiving each other even after marriage makes me afraid to get married now.
বিয়ের দিন সারাদিন না খেয়ে ছিলাম। বিদায় বেলায় কাঁদতে কাঁদতে অবস্থা নাজেহাল। বেচারা কোলে তুলে গাড়িতে তুলে ফেলছে। এমনিতে যাচ্ছিলামনা বলে।গাড়িতে উঠেই বেচারা অস্বস্তি হবে ভেবে এসি চালু করতেই আরো ভ্যা ভ্যা করে কাঁদা দেখে টুকুস করে এসি কমায়ে দিয়ে বলতেছে বন্ধ করে দেবো নাকি। তোমার তো আবার ঠান্ডা লাগে শুধু,,,,এসি লাগানো বলে আরো কাঁদতেছো।
অতঃপর তার কোলের উপর শুইয়েই ৫ঘন্টায় তার বাসায় নিয়ে গেছে। সারাটা রাস্তা একটু পরপর বলতেছিলো নুসু রে! আমার যে কি শান্তি লাগতেছে!কতো খুশি আমি আজ বলে বোঝাতে পারতেছিনা।আমার কলিজাটা ঠান্ডা হয়ে গেছে। কতো যু!দ্ধের পর আজ তুমি আমার বাসায় যাচ্ছো তাও আমার কোলে শুয়ে। একটু পরপর বলতেছিলো গাড়ি কোনো রেস্টুরেন্টে থামাতে বলি! কিছু খাবা! সারাদিন খাওনি।শরীর খারাপ করছে? ব/মি পাচ্ছে? বলো আমাকে!অতঃপর পদ্মা সেতুর কাছাকাছি পৌঁছে গাড়ি থামিয়ে বাকিরা আর সে চা খাচ্ছিলো একটা দোকানে। ও সবার সামনে থেকে চায়ের কাপ নিয়ে এসে গাড়িতে আমার কাছে এসে বলতেছে বাকিরা দোকানে,, নাও এক চুমুক কেউ দেখবেনা। চা খেলে ভালো লাগবে।❤️
#Nusrat 🌸

গ্রামের একটি সাদাসিধে পরিবারে বাবা-মা, 4 জন ভাই-বোন, আর বড় ভাই নাজিম ছিলেন। নাজিম ছিল পরিবারের 3 নম্বর ছেলে, তাই তার উপরই ছিল সবাইকে আগলে রাখার কিছুটা দায়িত্ব। সে অনেক কষ্ট তাকে বের করে নাজিমকে সৌদি আরবে কাজের জন্যে গিয়ে ছিলেন, আর ভেবেছিলেন, নাজিম একদিন সবার মুখ উজ্জ্বল করবে।
কিন্তু নাজিম এর মনের মধ্যে কী চলছে, সেটা কেউ বুঝতে পারেনি। সৌদি আরবে গিয়ে নাজিম বড় ব্যবসা করার স্বপ্নে ডুবে যায়। টাকা জোগাড় করার জন্য সে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব, এমনকি গ্রামের প
পারা প্রতিবেশীর কাছ থেকেও ঋণ নিতে থাকে।
কিছুদিন পর হঠাৎ করেই খবর আসে— নাজিম সৌদি থেকে কাউকে না বলে চলে আসে। এক মাস পর শহর থেকে গ্রামে লোকজন আসতে শুরু করে। সবাই একটাই কথা বলছে, “আপনার ছেলে নাজিম আমাদের থেকে টাকা ধার নিয়েছে। এখন সেই টাকা ফেরত দিন।”
গ্রামের দরজায় এসে লোকজন যখন চিৎকার করতে থাকে, তখন নাজিম এর বাবা-মা লজ্জায় মাথা নিচু করে বসে থাকতেন। নাজিমের ভাই “আমি” আর বোন সুমাইয়া ছিল তখনো বাড়িতেই থাকতো। রাস্তা ঘাটে গেলেই বন্ধুরা বলত, “তোমাদের ভাই নাকি সৌদি থেকে পালিয়ে এসেছে ।”সেম বাবা মা কেউ লোকে বলতো
বাবা ছিলেন বয়স্ক মানুষ, তবু নিজের জমি বিক্রি করে ঋণের কিছু টাকা শোধ করার চেষ্টা করলেন। কিন্তু ঋণের অঙ্ক এত বড় ছিল যে, জমি বিক্রি করেও কিছুই হলো না। মা সারাদিন কাঁদতেন আর বলতেন, “আমাদের এত বিশ্বাস, এত ভালোবাসা, সবকিছু ভুলে সে কীভাবে আমাদের সঙ্গে এই বেইমানি করল?”
একদিন আমি মায়ের কাছে ফোন করে বলল, “মা, আমি ও ছেড়ে কাজ করব। বাবাকে আর এই কষ্ট করতে দেব না।” মায়ের চোখে তখন কেবল দুঃখ আর অসহায়ত্ব।
বড় ভাইয়ের এই বেইমানি শুধু তাদের অর্থনৈতিক সংকটেই ফেলেনি, বরং মানসিকভাবে পুরো পরিবারকে ভেঙে দিয়েছিল। সমাজের সামনে তারা মুখ দেখানোর সাহস হারিয়েছিল। তবে কষ্ট আর লড়াইয়ের মধ্যেও পরিবারটি একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করছিল, কারণ তারা জানত, একমাত্র ঐক্যই তাদের টিকে থাকার শক্তি।
👇👇
https://mdmasum171.wordpress.com/
https://masumbillah171.blogspot.com/2025/05/blog-post_19.html
সম্পর্কহীন জীবন: স্বাধীনতা নাকি একাকিত্ব?
নিজের মতো না হলেই কি ওপর হয়ে যায়
স্বভাবের আড়ালে লুকানো নাসিরের ভয়ংকরতা”
এখানে শুনতে পরে 👇
নাসির—এক নাম, দুই রূপ!
ভদ্রতার মুখোশ খুললেই নাসিরের আসল রূপ
নাসিরের ছদ্মবেশী জীবন, আতঙ্কে সবাই!
বিশ্বাসঘাতক নাসির, আতঙ্কের আরেক নাম
শান্ত স্বভাবের আড়ালে লুকানো নাসিরের ভয়ংকরতা
নাসিরের রক্তচক্ষু, শিউরে উঠছে সবাই! নাসিরের ছায়ায় ভয়, তার রূপে আতঙ্ক
একজন নাসির, হাজারো রহস্য! 2. ভয়ংকর নাসির—সত্য উদ্ঘাটনের পালা
তুমি ভাবো, আমাদের ভাঙবে, নাসির চায় তার আয়নায়
চাপের নিচে দলিত করবে, আমাদের ব্যর্থতা দেখাতে,
কিন্তু জানো না, আমরা পাহাড়, ভাঙা স্বপ্নের টুকরো নিয়ে
ঝড় এলেও অটল থাকবো! হাসি তার মুখে জমাতে।
তোমার শাসন, তোমার ভয়, কিন্তু জানি আমরা গোপনে,
তোমার সেই চালাকি, ব্যর্থতা তো শুধু ছায়া,
সব বুঝেছি, সব জানি। যে পথে হাঁটি আজ হোঁচট খেয়ে,,
তোমার দিন ফুরোচ্ছে baki. সেই পথেই আগামীর জয়গান গায়া।
আমরা রুখবো, মাথা তুলবো, নাসিরের আয়না ভেঙে ফেলবো,
তোমার ছায়া দূর করবো, আমরা নিজের আলোয় জ্বলবো,
তুমি যত চাপ বাড়াবে, ব্যর্থতা নয়, শিখা আমাদের
আমরা ততই শক্ত হবো! যা আগুন হয়ে জ্বলবো।
ঋণের দায়,বাবার স্বপ্ন আর সন্তানের লড়াই 2006 সালে। সংসার চালানোর তাগিদে বাবা ব্যাংক থেকে ৪৫ হাজার টাকা ঋণ নিলেন। স্বপ্ন ছিল, এই টাকা দিয়ে ব্যবসা দাঁড় করাবেন, ভালোভাবে পরিবার চালাবেন। কিন্তু বাস্তবতা ছিল নিষ্ঠুর। সময়ের সাথে সাথে সব হিসাব বদলে গেল, বাবার কপালে চিন্তার ভাঁজগুলো আরও গভীর হতে লাগল।
শুরুর দিকে ব্যবসাটা মোটামুটি চলছিল, কিন্তু হঠাৎই নানা প্রতিকূলতা সামনে এল। বাজারের দরপতন, খরচের বেড়ে যাওয়া, আর চারপাশের সংকট বাবাকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিল। মাসে মাসে কিস্তি দিতে গিয়ে সংসার খরচে টান পড়ল। তবুও বাবা চেষ্টা করে গেলেন।
বছর পার হলো, ঋণের পরিমাণ কমার বদলে সুদের চাপে বেড়ে চলল। ৪৫ হাজার থেকে ৭০ হাজার, তারপর ৯০ হাজার, অবশেষে ১ লাখ ৮ হাজারে পৌঁছাল। বাবার চোখের ঘুম উড়ে গেল। প্রতিবার ব্যাংক থেকে নোটিশ আসলে বাবা নীরবে চেয়ে থাকতেন, যেন কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন।
তিনি আমাদের কাছে সাহায্যের জন্য হাত বাড়ালেন, কিন্তু কেউ বাবার পাশে দাঁড়াল না। সবাই অজুহাত দিল— “আমাদেরও টানাটানি চলছে, আমরা কীভাবে সাহায্য করব?” বাবার মনে হলো, সংসারের জন্য, আমাদের জন্য তিনি জীবনভর যা করেছেন, তার কোনো মূল্য নেই।
দিনের পর দিন এই দুশ্চিন্তা বাবাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল। খাওয়া কমে গেল, চোখের তলায় কালি জমতে লাগল, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ল। একদিন রাতে বাবা নিঃশব্দে বসে রইলেন, সামনে ঋণের কাগজপত্র ছড়িয়ে। হয়তো ভাবছিলেন— “এই বোঝা থেকে মুক্তির কোনো উপায় নেই?”
19 বছর হয়ে গেল, কিন্তু কেউ বাবার হাত ধরল না, ঋণের বোঝা হালকা করার জন্য এগিয়ে এল না। বাবা আজও একাই লড়ে যাচ্ছেন, একা এই অন্ধকারে পথ খুঁজছেন…
এখন বাবা একটা একটু জমি বিক্রি করার কথা চলছে,নাসির জমি কিনবে কিন্ত বাবাকে বছরে 5 টা টাকাও দেয়নি যে একটা চা খাবে।।

The Burden of Debt, a Father’s Dream, and a Son’s Struggle
2006. Driven by the need to support his family, my father took out a loan of 45,000 taka from the bank. His dream was simple—to build a business, provide for his loved ones, and secure a better future. But reality had other plans. As time passed, circumstances changed, and the weight of worry deepened the lines on his forehead.
At first, the business ran moderately well. But soon, challenges emerged—market downturns, rising costs, and relentless financial pressures. Paying monthly installments strained our household expenses, yet my father never gave up.
Years went by, but instead of decreasing, the debt grew—swelling under the crushing weight of interest. From 45,000, it climbed to 70,000, then 90,000, and finally reached a staggering 108,000 taka. Sleep abandoned my father’s eyes. Every time a bank notice arrived, he would stare silently, as if words had failed him.
He reached out for help, but no one stood by him. Excuses poured in—*”We’re struggling too, how can we help?”* It must have felt to him as if a lifetime of sacrifices for his family meant nothing.
Day by day, the stress consumed him. His appetite faded, dark circles formed under his eyes, and his health weakened. One night, he sat quietly, loan documents scattered before him. Perhaps he wondered—*”Is there no way out of this burden?”
19 years have passed. Yet no one held his hand, no one stepped forward to ease the weight of his debt. Even now, my father fights alone, searching for light in this endless darkness.
Now, there’s talk of selling a small piece of land—Nasir might buy it. But in all these years, he hasn’t even given my father 5 taka to enjoy a simple cup of tea…
তোমার প্রিয় মানুষটা মন মতো হয়নি। তাই বলে এটা ভেবো না। মানুষ ভুল ছিল।শুরুতেই কেউ মনের মতো হয় না। ভালবেসে কাউকে মনের মতো করে নিতে হয়।এই পৃথিবীতে কেউ পরিপূর্ণ হয়ে আসে না। সময়ের সাথে সাথে মানুষ ধীরে ধীরে পরিবর্তন হতে থাকে।আজ যে মানুষটা তোমার সাথে আছে সে হুট করে এসে তোমার মনের মতো হতে পারবে না। এর জন্য মানুষ তাকে সময় দিতে হয়, ভালবাসতে হয়।মনের মত সবকিছু পাওয়া গেলেও মানুষ মনের মতো পাওয়া যায় না। দেখছি মানুষটার সব কিছু ঠিক আছে তবুও কোথায় যেন একটু অপরিপূর্ণ মনে হয় ওই অপরিপূর্ণ টা কি তোমাকে ভালোবেসে পরিপূর্ণ করতে হবে।তবেই তো 1 দিন মানুষ তোমার মনের মতো হয়ে যাবে।আজ যাদেরকে দেখি তুমি খুব সুখী ভাবছ খোঁজ নিয়ে দেখো তারা শুরুতে কেউ কারও মনের মতোই হয়নি। ধীরে ধীরে একে অপরকে বুঝতে শিখেছে একে অপরকে সম্মান করতে শিখেছে। তাদের দুজনের মধ্যে অনেক মান অভিমান হলেও সম্মান আর ভালবাসা ছিল বিধায় তারা আজ সুখী সামান্য ভুল বোঝাবুঝি কিংবা ঝগড়া হলে।যদি মনে করো মানুষ ভুল কখনো তোমার মনের মতো হতে পারবে না তাহলে তুমি ভুল ভাবছো মানুষ কখনও ভুল হয় না ভুল হয় আমাদের চিন্তাভাবনা।তোমার কাছে আছে যে ভুল মানুষ বলে।পরিচিত সে হয়তো অন্য কারও কাছে সঠিক মানুষ হয়ে আছে।প্রতিটা মানুষই কারও না কারও কাছে সঠিক মানুষ আজ যাঁকে তোমার সঠিক মানুষ মনে হচ্ছে না সেও তোমার সঠিক মানুষই হবে। যদি তুমি তাঁকে বুঝতে শেখো সময় সব কিছু ঠিক করে দিতে পারে। শুধু তোমাকে খুঁজে নিতে হবে মানুষের মনে তোমার জায়গা কতটুকু আছে?
01:50
ছেড়ে যেতে সবাই পারে কিন্তু সবাই থেকে যেতে পারে না। ছেড়ে যাওয়াটা ভালোবাসা নয় বরং ভালবেসে কাউকে মনের মতো করে নেওয়াটাই হলো সত্যিকারের ভালোবাসা যে ভালোবাসে সে কখনও ছেড়ে যায় না। যে ছেড়ে চলে যায় সে কখনো ভালোবাসেনি।মনের মিল হয় নি বলে যদি ভুল।মানুষ আখ্যা দিয়ে যদি কাউকে ছেড়ে চলে আসো তাহলে তুমি শুধু একের পর এক মানুষ বড়ই করতে পারবে। কিন্তু কাউকে ভালোবেসে মনের মতো করতে পারবে না।কাউকে ভালোবেসে মনের মতো করতে হলে অপেক্ষা করতে হয়৷ পাশে থাকতে হয়।তোমাকে পেয়ে যে তার বন্ধুদের ছেড়ে আসতে পারে একদিন সেই মানুষটাই তোমার থেকে ভাল। কাউকে পেলে তোমাকে ছেলেও যেতে পারে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।জীবনে বন্ধু কিংবা প্রিয় মানুষ যেটি বলো না কেন কেউ কারও থেকে কোনও অংশ কম নয়। জীবনে বেঁচে থাকতে হলে দুটোই দরকার। প্রিয় মানুষ ছাড়া বাঁচতে পারলেও বন্ধু ছাড়া কিন্ত থাকা যায় না৷ কথায় তো আছে বন্ধু ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল।তোমার প্রিয় মানুষ হয়েছে বলে বন্ধুদের আড়ালে রেখো না প্রিয় মানুষ তোমার আজ আছে কাল না ও থাকতে পারে কিন্তু বন্ধু থেকে যাবে আজীবন প্রিয় মানুষটার কারণে যদি বন্ধুদের ছোট করো তাহলে তুমি এখনও মানুষই হতে পারেনি। কয়েকদিনের সম্পর্কের জন্য কয়েক বছরের সম্পর্ক ভুলে যেও না।তোমার হাতে নতুন কারও হাতে এসেছে।তার কারণে কাঁধে রাখা হাতগুলোকে ভুলে যেও না। যার হাত আজ ধরে আছো একদিন সেই হাত না ও থাকতে পারে। কিন্তু বন্ধুদের হয় কখনও হারিয়ে যায়নি।প্রিয় মানুষ পেয়ে বন্ধুদের অপমান করে। কেউ কখনও ভাল থাকতে পারেনি। আজ হোক বা কাল হোক বন্ধুদের কাছে ঠিকই ফিরে আসতে হয়েছে যে আজ তোমার ভালো বন্ধু হয়ে আছে।তাঁকে কখনও প্রিয় মানুষটার কাছে ছোট করোনা। নয় তো একদিন তুমি নিজেই তাঁর কাছে ছোট হয়ে থাকবে।বন্ধুত্বের দাম কখনও কম হয়না। তোমার 1:00 ভালো বন্ধু আছে তার মানে তোমার 1:00 পুরো লাইব্রেরি আছে তোমার প্রিয় মানুষটাকে তুমি অনেক কিছু শেয়ার করতে পারবে না।কিন্তু 1:00 ভালো বন্ধু থাকলে তাকে সবকিছু নিয়ে দ্বিধায় বলে দিতে পারবে।প্রিয় মানুষ যে বন্ধুত্ব নষ্ট করে সে আসলে কারও বন্ধু হওয়ার যোগ্যতাই রাখে না। প্রিয় কাউকে পেয়ে বন্ধুদের তুমি আজ নো করছো। তোমার কোন বিপদে বন্ধুরাই আগে চলে আসবি কিন্তু প্রিয় মানুষটার পাশাপাশি বন্ধুদেরও আগলে রাখতে হয়। তবুও যদি কারও জন্য তোমার বন্ধুকে হারিয়ে ফেলল।তাহলেই জন্য একদিন তোমাকে অবশ্যই আফসোস করতে হবে।প্রিয় মানুষ একজন গেলে আর একজন আসবে৷ ঠিকই কিন্তু বন্ধু একবার হারিয়ে গেলে আর খুঁজে পাবে না।যে মানুষটাকে প্রতিনিয়ত অবহেলা করলে তোমার মনে আনন্দ দেয়। একদিন খেয়াল করলে দেখবে মানুষটাই তোমাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে তোমার খারাপ লাগবে।তোমার বাসার নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটা প্রতিদিন আসবে না কিংবা তোমার কলেজ ছুটির জন্য।রোজ অপেক্ষা করবে না। যদি তুমি মানুষকে একটু গুরুত্ব না দাও আজ যে মেয়েটা তোমার জন্য পাগল কাল সে তোমার কথা মনে রাখবে না।যে মানুষটার ফোন পেয়েও তুমি ধরো না।কিংবা নানারকম অজুহাত ব্যস্ততা দেখা।একদিন সেই মানুষটা ফোন আর আসবে না যে নিত্য নতুন মেসেজ করে যাচ্ছে আর তুমি দেখছি না একদিন তার কোন মেসেজ আর তোমার ফোনে আসবে না।কারও কাছ থেকে একটু কের কিংবা গুরুত্ব পেলেন।নিজেকে তার কাছে এতটাই উচ্চতায় নিয়ে যেও না।যাতে করে মানুষ তোমাকে ছুঁতে না পারে।গুরুত্ব পেয়েছে৷ এটা তোমার কপাল আর এত মানুষের।মানুষটা তোমাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এটা তোমার ভাগ্য মনে রেখো ভাগ্য সব সময় অটুট থাকে না।পাগল মানুষটার পাগলামিও।1:00 সময় বন্ধ হয়ে যাবে৷ গুরুত্ব দেওয়া মানুষটাও 1:00 সময় গুরুত্ব কমিয়ে দেবে।খোঁজ রাখা মানুষটা 1:00 সময় তো।আমাকে আর খোঁজ করবে না। মনে রেখো সব কিছুর 1:00 মাত্রা আছে।তোমার অতিরিক্ত অবহেলায় মানুষটা 1:00 সময় তোমার থেকে দূরে চলে যাবে।অবহেলা করে কখনও কারও মন নরম করা যায় না। অবহেলা পেলে মানুষ ভেঙে চুরে আরও নিজেকে শক্ত করে।অবহেলা মানুষের মনে খানিকটা আকৃষ্ট তা বাড়ায় ঠিকই। তারপর ধীরে ধীরে মন থেকে একেবারে উঠে যায়।কারও মনে আজীবন থাকতে চাইলে অবহেলা নয়, ভালোবেসে থাকতে হয়।মানুষ সব সহ্য করতে পারলেও প্রিয় মানুষের কাছে অবহেলা সহ্য করতে পারে না।একদিন তোমার কথা অবহেলায় মানুষ তাঁকে শক্ত বাড়িয়ে দেবে। সেদিন তুমি চাইলেও মানুষটাকে আর আগের মতো করে পাবে না। কারণ ততদিনে মানুষটা তোমাকে ছাড়া বাঁচতে শিখে গেছে ভাই। আর তুমি চাঁদ খুঁজতে গিয়ে পুরো আকাশটাই হারিয়ে ফেলেছ।এই নিশ্চুপ আলোচিত নগরী সান্ত্বনার বাণী শুনতে আসেনি।এসেছে তোমার নিশ্চুপ নিষিদ্ধ শহরে নিজেকে মিলিয়ে নিতে।তুমি বরং তারই গল্প যে তোমাকে লিখতে চাই তার বইয়ের পাতায় আমি না হয় পরেই নেব কোন এক বইমেলা।অভিযোগ জমিয়ে রাখতে হয়। ক্ষমা করে দিতে হয়।না হয় সরে আসার আগে আমি ক্ষমা করবার মতন মহত্ত্ব নিয়ে পৃথিবীতে আসেননি। তাই সরে আসে নিঃশব্দে নিঃশব্দে গোপনে।তুমি ভালো থেকো নতুন গল্পে।নতুন চরিত্র হিসেবে আমি না হয় পুরনো গল্প লিখব একা তোমার স্মৃতি জড়িয়ে।কাগজের নৌকা টানা হয় খেলনা। কিন্তু তোমার দেখা নাই স্বপ্নগুলো কি ফেলনা?
07:35
প্রতিদিন এই দুনিয়াতে কেউ আসে আর।দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়।শুধু পার্থক্য এইটুকুই কেউ একজন হাসি ফোটাতে আসে আর কেউ একজন তা দিয়ে।কারও চোখে একবার খারাপ হয়ে গেলে সৎ ও ভালো কাজ করলেও তাঁর চোখের ভালই হওয়া যায় না। তুমি হাসলে সবাই তোমার সাথে হাসবে কিন্তু তুমি কাঁদলে কেউ তোমার সাথে কাটবে না।মানুষকে কাঁদতে হয় একা একা।যাকে ভালো লাগে তাকে চোখের আড়াল করতে ইচ্ছেই করে না। কিন্তু ভালবাসার মানুষরা সবাই চোখের আড়ালে চলে যায়।একবার যদি বাসতে ভালো আমার মতো করে।বুঝতে হবে না থাক কথাটা কত অভিমান ঝরে না।রাগের মাথায় বলা কথা গুলো কখনও এড়িয়ে যেও না। কারণ আসল সত্যি কথাগুলো তখনই বেরিয়ে আসে দূরত্ব সবসময় সম্পর্কের গভীরতা বাড়াতে পারে না। সম্পর্ক শেষ হওয়ার ক্ষেত্রেও দূরত্বের ভূমিকা অপরিসীম।হ্যাঁ, সম্পর্কটা শেষ হয়েছে বহুকাল। কিন্তু এখনও কোনও একলা দুপুর অথবা গভীর রাতে সম্পর্কের স্মৃতি ঝরে আমার সবকিছু ওলটপালট করে দেয়। জানো।3 দিন স্বপ্নগুলো বেড়েই চলেছে।চোখে এখন আর তোমার সাথে বৃদ্ধি হওয়ার স্বপ্ন দেখে না। মন এখন জানায় ব্যাকুল হয়ে বলে ভালোবাসি।অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা।ইগো সব চেয়ে বড় একটি অস্ত্র। এটা না হলে সে নিজেকে শক্তিশালী করতেই পারে না।মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়া সহজ৷ কিন্তু মেয়ে হয়ে বেঁচে থাকা অনেক কষ্টে হাসতে গেলেও ভাবতে হয় কাটতে গেলেও ভাবতে হয়।জীবনে এমন কিছু করো আজকে তোমার ফোন রিসিভ করছে না সে যেন তোমাকে গুগল সার্চ করে।

ছোটবেলায় ঈদের আগে বাজারে যাওয়া মানেই ছিল বাবার হাত ধরে দু-তিনটা দোকানে ঘুরে জিনিসপত্র দেখা, কিন্তু কেনা হতো না দামাদামি করে চলে আসতাম। একবার আমার খুব পছন্দের একটি পাঞ্জাবি দেখেছিলাম, দাম ছিল ৫০০ টাকা। বাবা অনেকক্ষণ দাম চেক করে বললো, “এবার না, পরের বার নিবো…”সেই পাঞ্জাবি টা না কিনতে পারার কষ্টটা আজও মনে আছে।
বুকটা ধুক ধুক করে উঠে, কিন্তু কাঁদলাম না। সাথে বন্ধু বান্ধব নতুন জুতা পরে ঘুরছে—আমি শুধু দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকি।
আজ আমার পকেটে ৫০ হাজার টাকা, কিন্তু ঈদের বাজারে গেলে সেই পুরনো দিনগুলো মনে পড়ে। বাবা এখনও বলেন, *”অত টাকা খরচ করো না, যা আছে তা দিয়েই ঈদ করবো।”* কিন্তু আজ আমি তার হাতে কয়েক হাজার টাকা দিলেও, তার চোখে তখনকার সেই আফসোস দেখতে পাই। টাকা দিয়ে অনেক কিছু কেনা যায়, কিন্তু যে দিনগুলোতে ছোট সুখ গুলোও বিলাসিতা ছিল—সেই সহজ, আন্তরিক সুখ আর ফিরে আসে না।
টাকা দিয়ে শান্তি কেনা যায় না, শুধু ফাকা জায়গাটা ঢাকার চেষ্টা করা যায়।না 💔

যদি আপনি এখানে থাকেন, তাহলে সম্ভবত আপনি একজন বাংলাদেশী যিনি দূতাবাস/ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে ভিসা পেতে ঝামেলা ছাড়াই কোন দেশগুলিতে ভ্রমণ করতে পারেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন । আমি এই বিষয়ে উইকিপিডিয়া পৃষ্ঠা এবং অন্যান্য তথ্যসূত্রগুলিকে অবিশ্বাস্য বলে মনে করেছি, প্রায়শই এমন তথ্য থাকে যা হয় মিথ্যা অথবা ভালভাবে উল্লেখ করা হয়নি। যদি আপনি এই ধরণের উৎসের কারণে কম্বোডিয়া বা বলিভিয়ায় ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের আশা করে থাকেন, তাহলে এই লিঙ্কগুলি[[1[2] ইঙ্গিত দেয় যে আপনার জন্য খারাপ খবর অপেক্ষা করছে।
ভালো খবর হল.

এই পোস্টে, আমি প্রথমে সেই সমস্ত দেশের তালিকা দেব যেখানে আপনি তৃতীয় পক্ষের সাথে কোনও লেনদেন ছাড়াই অন-অ্যারাইভাল ভিসা অথবা ইলেকট্রনিক-ভিসা পেতে পারেন। এরপর, আমি এমন দেশ এবং অঞ্চলগুলির তালিকা দেব যেখানে আপনি বৈধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা বা শেনজেন ভিসা নিয়ে ভ্রমণ করতে পারেন (এই বিষয়ে আরও পরে)। পরিশেষে, আমি বছরের পর বছর ধরে দেখার সুযোগ পাওয়া কিছু জায়গা পরিদর্শনের জন্য পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত করব এবং কিছু ভ্রমণ পরিকল্পনা পরামর্শ দেব যা আমি আশা করি সহায়ক হবে।
দাবিত্যাগ
1. কিছু দেশের ক্ষেত্রে, আমি যে উৎসগুলি উল্লেখ করেছি সেগুলি সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করিনি এবং তাদের নামের পাশে একটি ডাবল অ্যাস্টেরিস্ক “**” দিয়ে চিহ্নিত করেছি। আমি দৃঢ়ভাবে সুপারিশ করছি যে আপনি এই বিষয়ে অতিরিক্ত গবেষণা করুন এবং আপনার সেরা বিচারবুদ্ধি ব্যবহার করুন।
2. সকল দেশই আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, ব্যবস্থা করা থাকার ব্যবস্থা এবং ভ্রমণের সময় নিজেকে টিকিয়ে রাখার জন্য আর্থিক সক্ষমতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় নথি/তহবিল থাকতে বাধ্য করবে। ঠিক কী প্রয়োজন তা দেশ ভেদে ভিন্ন, তবে দূতাবাসের ওয়েবসাইটে তা উল্লেখ করা হবে। প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে স্পষ্টীকরণের প্রয়োজন হলে, আমি পরামর্শ দিচ্ছি যে আপনি সরাসরি সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করুন। অনুগ্রহ করে রিটার্ন টিকিট ছাড়া বা ” পর্যাপ্ত” ভ্রমণ তহবিল ছাড়া কোনও বিদেশী দেশে যাবেন না , কারণ আপনাকে সম্ভবত প্রবেশের সময় প্রত্যাখ্যান করা হবে অথবা আপনাকে প্রথমেই আপনার ফ্লাইটে উঠতে দেওয়া হবে না। এই পোস্টটি আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনার জন্য একটি শক্তিশালী গবেষণার সূচনা বিন্দু হিসেবে কাজ করার জন্য তৈরি। তবে আপনাকে চূড়ান্ত কাজটি করতে হবে 🙂
3. সময়ের সাথে সাথে ভিসা নীতিমালা পরিবর্তন হতে পারে যদিও আমি এই ডকুমেন্টটি যতটা সম্ভব আপডেট রাখার চেষ্টা করব, আপডেটের জন্য কিছুটা বিলম্ব আশা করা হচ্ছে। দয়া করে নিশ্চিত করুন যে আপনি যে লিঙ্কগুলি শেয়ার করছেন সেগুলি অনুসরণ করে উৎসগুলি দুবার পরীক্ষা করে দেখুন এবং নিশ্চিত করুন যে কোনও পরিবর্তন হয়নি। আমি যে উৎসগুলি লিঙ্ক করেছি সেগুলিই আমি খুঁজে পেয়েছি তার মধ্যে সেরা। যদি আপনি আরও ভাল উৎস খুঁজে পান, তাহলে দয়া করে মন্তব্যে শেয়ার করুন এবং আমি এই পোস্টে প্রয়োজনীয় সম্পাদনা করব।
4. যদিও আমি এটি একত্রিত করার জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খ গবেষণা করেছি, এটি একটি বিস্তৃত তালিকা নাও হতে পারে । আপনি যদি নিয়মিত বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে ভিসা ছাড়া কোনও দেশে ভ্রমণ করে থাকেন এবং তালিকায় এটি দেখতে না পান, তাহলে দয়া করে আমাকে জানান, এবং যদি সম্ভব হয়, তাহলে আপনার সংশোধন যাচাইকারী উৎসগুলির একটি লিঙ্ক দিন।
এবার মজার অংশে আসি। এখানে তালিকাগুলো দেওয়া হল!
যেসব দেশ আপনাকে অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রদান করে
এশিয়া + ওশেনিয়া

ক্যারিবীয় অঞ্চল
1. জ্যামাইকা
2. বাহামা
3. হাইতি
4. গ্রেনাডা
6. সেন্ট ভিনসেন্ট এবং গ্রেনাডাইনস
7. বার্বাডোস পৃষ্ঠার নীচে স্ক্রোল করুন এবং দুবার চেক করার জন্য জাতীয়তা লিখুন
8. ডোমিনিকা
9. ত্রিনিদাদ ও টোবাগো* * – বাংলাদেশিদের জন্য ভিসার প্রয়োজনীয়তা নিশ্চিত/অস্বীকারকারী সরকারি ওয়েবসাইট খুঁজে পাওয়া যায়নি, তবে এই রাজ্যের মতো তৃতীয় পক্ষের সংস্থাগুলিতে আমরা আগমনের সময় ভিসা পেতে পারি
আফ্রিকা
1. রুয়ান্ডা পূর্ব আফ্রিকার পর্যটন ভিসা সম্পর্কে আরও জানুন (কেনিয়া, উগান্ডা এবং রুয়ান্ডায় সম্মিলিত প্রবেশাধিকারের অনুমতি দেয়)
2. উগান্ডা উগান্ডা – পূর্ব আফ্রিকার পর্যটন ভিসা সম্পর্কে আরও পড়ুন (কেনিয়া, উগান্ডা এবং রুয়ান্ডায় সম্মিলিত প্রবেশাধিকারের অনুমতি দেয়), এবং টিকাদানের প্রয়োজনীয়তার দিকে মনোযোগ দিন।
3. মুরিতানিয়া
4. গাম্বিয়া- সূত্র:গাম্বিয়ান ট্যুরিজম বোর্ড এবং বানজুল বিমানবন্দর
5. কোমোরোস বিমান বন্দরের ওয়েবসাইট বলা হয়েছে যে সকল জাতীয়তার জন্য আগমনের সময় ভিসা দেওয়া হয়
6. মাদাগাস্কার এটি আসলেই কোনও সরকারী ওয়েবসাইট কিনা তা যাচাই করা যায়নি
7. সেশেলস
8. কেপ ভার্দে
9. কোনও সরকারি ওয়েবসাইট নিশ্চিতকরণ নেই, তবে একাধিক থ্রেড/উৎস থেকে জানা যায় যে সকল জাতীয়তার সকল নাগরিককে আগমনের সময় ভিসা দেওয়া হবে।
10. গিনি-বিসাউ ওয়েবসাইটটি বলে যে ই-ভিসা পাওয়া সম্ভব, কিন্তু ই-ভিসা আবেদনের লিঙ্কটি বন্ধ রয়েছে।
11. তগো
ইলেকট্রনিক/অনলাইন ভিসা নিয়ে আপনি যেসব দেশে যেতে পারেন (পূর্বে আবেদন করতে হবে)
ই-ভিসা (গুলি) সম্পর্কিত প্রশ্নগুলির জন্য এবং বিভিন্ন দেশের জন্য আপনার কী প্রয়োজন তা পরীক্ষা করার জন্য এবং যদি আপনি কোনও পেশাদার তৃতীয় পক্ষের তথ্য যাচাই করতে চান, তাহলে আমি আইভিসার ওয়েবসাইট (অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক) একটি সহায়ক উৎস হিসাবে খুঁজে পেয়েছি।
দ্রষ্টব্য: আপনার আগমনের তারিখের কতক্ষণ আগে আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে সেদিকে মনোযোগ দিন, কারণ এই সময়কাল বিভিন্ন দেশের জন্য পরিবর্তিত হয়।
1. কেনিয়া
2. লেসোথো
3.জিবুতি
4. আইভরি কোস্ট**সূত্র: আবিদজান বিমানবন্দর ওয়েবসাইট
5. ইথিওপিয়া
6. গ্যাবন
10. বেনিন বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা, রাজ্য নয়, তাই ধরে নিচ্ছি যে ই-ভিসার নির্দেশাবলী সকলের জন্য প্রযোজ্য।
12. কাতার
13. কিরগিজস্তান
14. উজবেকিস্তান
15. মায়ানমার
16. মালয়েশিয়া সূক্ষ্মভাবে পড়ুন: “সন্দেহের ক্ষেত্রে, আবেদনকারীদের আরও নথি সরবরাহ করতে হতে পারে অথবা মালয়েশিয়া কনস্যুলেটের সাথে একটি সাক্ষাৎকার বা স্কাইপ সেশনের জন্য ডাকা হতে পারে”
বৈধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র/কানাডা/শেনজেন/ইইউ দেশ ভিসা নিয়ে আপনি যেসব দেশ/অঞ্চল পরিদর্শন করতে পারবেন

বাংলাদেশি হিসেবে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের একটি অজানা রহস্য হলো, যেসব দেশে সাধারণত আমাদের দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা নিতে হয়, তারা যদি অন্য উন্নত দেশের বৈধ ভিসা থাকে, তাহলে সেই বিধিনিষেধ শিথিল করে। আমি ব্যক্তিগতভাবে বছরের পর বছর ধরে এই সতর্কতা থেকে সর্বাধিক সুবিধা পেয়েছি এবং বহু-প্রবেশকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং শেনজেন ভিসা ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং শেনজেন অঞ্চলের বাইরে প্রায় এক ডজন দেশ ভ্রমণ করেছি। এরপর, আমি তালিকাভুক্ত করব যে এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি কোন কোন দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন এবং কোন কোন ভিসায় ভ্রমণের জন্য আপনার প্রয়োজন। একক-প্রবেশকারীর পরিবর্তে কোন কোন দেশে বৈধ একাধিক-প্রবেশকারী শেনজেন ভিসা প্রয়োজন, সেদিকে বিশেষ মনোযোগ দিন।
দেশগুলো
1.মেক্সিকো বৈধ কানাডা, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যে অথবা সেনজেন ভিসা
2.কোস্টারিকা- স্থায়ী বসবাস, ছাত্র ভিসা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ সদস্যেদের কাজের
3.পানামা- কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া,, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর প্রজাতন্ত্র এবং যেকোনো ইইউ রাষ্ট্র কর্তৃক জারি করা বৈধ ভিসা বা বাসস্থান।
4.বেলিজ=এটি পড়ুন : যদিও মনে হচ্ছে পনি বৈধ বহু-প্রবেশকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা বা শেনজেন ভিসা দিয়ে বেলিজে প্রবেশ করতে পারবেন, তবে এর সাথে জড়িত বড় ধরণের লুকানো খরচ জড়িত থাকতে পারে। এই সূত্রগুলি [1]_[2] পরামর্শ দেয় যে বাংলাদেশিদের একক প্রবেশ ভিসার জন্য $250 USD ($500 BZD) এবং প্রবেশের সময় “প্রত্যাবাসন ফি” হিসাবে অতিরিক্ত $600 USD ($1200 BZD) দিতে হবে। আমি যখন লস অ্যাঞ্জেলেসের কনস্যুলেটে ফোন করি, তখন উত্তর দেওয়া মহিলা বলেন যে এই ফিগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে, আমি কখনও লিখিত বা ইমেলের মাধ্যমে কোনও নিশ্চিতকরণ পেতে পারিনি, এবং আইন সম্পর্কে আরও গবেষণা করেও কোনও অনুকূল ফলাফল পাওয়া যায়নি। যে কারণে আমি এখনও বেলিজে যাইনি।
5.ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র যে কোনও ব্যক্তি যিনি আইনত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ,কানাডা এবং ইইউতে ভ্রমণ করতে বা বসবাস করতে পারেন
6.আরুবা বৈধ মাল্টিপল-এন্ট্রি শেনজেন ভিসা
7.সিন্ট মার্টিন বৈধ মাল্টিপল-এন্ট্রি শেনজেন ভিসা
8. যুক্তরাজ্য – এটি একটু অবাক করার মতো হতে পারে, তবে আপনি যদি (অন্যান্য প্রয়োজনীয়তার মধ্যে)
অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করেন (অথবা যুক্তিসঙ্গত ভ্রমণের অংশ হিসেবে) এবং সেই দেশের জন্য একটি বৈধ ভিসা থাকে তবে,আপনি যুক্তরাজ্যের ভিসা ছাড়াই যুক্তরাজ্যে ২৪ ঘন্টা ট্রানজিটের অনুমতি পাবেন । অনুগ্রহ করে অন্যান্য প্রয়োজনীয়তাগুলি পরীক্ষা করে দেখুন।
9. আলবেনিয়া বৈধ, বহু-প্রবেশকারী শেনজেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের ভিসা,যা পূর্বে ইস্যুকৃত নিজ নিজ দেশে ব্যবহৃত হয়েছে।
10. বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা- সদস্য রাষ্ট্র বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কর্তৃক জারি করা বৈধ মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা বা আবাসিক অনুমতি।
13. কসোভো- বৈধ মাল্টিপল-এন্ট্রি শেনজেন ভিসা
14. ম্যাসেডোনিয়া-বৈধ ব্রিটিশ, কানাডিয়ান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অথবা একাধিক-প্রবেশকারী শেনজেন ভিসা
15. ক্রোয়েশিয়া –বুলগেরিয়া/সাইপ্রাস/রোমানিয়ার বৈধ বহু-প্রবেশের শেনজেন নথি/জাতীয় ভিসা এবং বসবাসের অনুমতিপত্র।
16. রোমানিয়া-বৈধ বহু-প্রবেশের শেনজেন নথি
17. বুলগেরিয়া-বৈধ মাল্টিপল-এন্ট্রি শেনজেন ভিসা
18. সাইপ্রাস-বৈধ মাল্টিপল-এন্ট্রি বুলগেরিয়ান, ক্রোয়েশিয়ান, রোমানিয়ান বা শেনজেন ভিসা
19. জর্জিয়া- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, শেনজেন অঞ্চল অথবা দীর্ঘ তালিকাভুক্ত দেশগুলির বৈধ ভিসা(তালিকা এখানে দেখুন)
20. কাতার-ভ্রমণের আগে একটি অনলাইন আবেদন পূরণ করে বিনামূল্যে একটি ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমোদন (ETA) পেতে পারেন*।
21. মাদাগাস্কার-জাতীয়তা নির্বিশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী আবেদনকারীরা
22. সাও টোমে এবং প্রিন্সিপে-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা বা শেনজেন ভিসা
23. মালয়েশিয়া- এই ৭টি দেশে উপযুক্ত ভিসা (গুলি) থাকা ব্যক্তিদের জন্য ভিসা ছাড়াই ১২০ ঘন্টার ট্রানজিট উপলব্ধ যোগ্যতার মানদণ্ডের সম্পূর্ণ তালিকা দেখুন

অঞ্চল
1.বারমুডা (ব্রিটিশ অঞ্চল) কানাডা/মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক প্রবেশ ভিসা
2. টার্কস অ্যান্ড কাইকোস (ব্রিটিশ টেরিটরি)- বৈধ যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডার ভিসা
3. টার্কস অ্যান্ড কাইকোস (ব্রিটিশ টেরিটরি)-বৈধ যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডার ভিসা
চীনের ২৪ ঘন্টা ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট নিয়ম
এই ভিসা অন্য কোথাও মানায় না, তাই এটিকে তার নিজস্ব বিভাগে রাখি। চীনের মধ্য দিয়ে অন্য কোনও দেশে পৌঁছানোর জন্য বাংলাদেশি ভ্রমণকারীরা ২৪ ঘন্টা ট্রানজিট ভিসা ছাড়ের জন্য যোগ্য হতে পারেন। এই ভিসা ছাড় সকল বিদেশী এবং চীনের বেশিরভাগ প্রবেশপথের জন্য উপলব্ধ।
সস্তা ফ্লাইট খোঁজা
সস্তার ফ্লাইট খুঁজে পেতে আমি এখন যে পদ্ধতি ব্যবহার করি, তা ঠিক করতে আমার কিছুটা সময় লেগেছে। আমি গুগল ফ্লাইট এবং স্কাইস্ক্যানারের সংমিশ্রণ ব্যবহার করি । খোলামেলা ভ্রমণ পরিকল্পনা থাকলে কোথায় সস্তায় উড়তে পারবেন তা নির্ধারণের জন্য গুগল ফ্লাইট হল সেরা ওয়েবসাইট/অ্যাপ (আমার বিনীত মতে)। ম্যাপ/এক্সপ্লোর বৈশিষ্ট্য যা আপনাকে প্রস্থান স্থান বেছে নেওয়ার পরে যেকোনো জায়গায় যাওয়ার জন্য ফ্লাইটের দাম দেখতে দেয় তা অসাধারণ। গুগল আপনাকে এও বলে যে বর্তমানে কোনও স্থানে যাওয়ার জন্য ফ্লাইটের দাম সাধারণত কত খরচ হয় তার তুলনায় সস্তা/ব্যয়বহুল কিনা।

কিন্তু যদি আমার পরিকল্পনাগুলি খোলামেলা না হয় এবং আমি যদি যেতে চাই এমন একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থাকে তবে কী হবে?
চিন্তার কিছু নেই! এই অ্যাপগুলি আপনার জন্যও উপকারী। দুটি অ্যাপের মাধ্যমেই, আপনার স্বপ্নের গন্তব্যে
যাওয়ার জন্য ফ্লাইটের দাম পরিবর্তন হলে আপনি বিজ্ঞপ্তি পেতে পারেন। আমি এই বৈশিষ্ট্যটি সর্বদা ব্যবহার করি এবং লস অ্যাঞ্জেলেস-পানামা সিটি থেকে $১৪০ রাউন্ড-ট্রিপ এবং সুইডেন থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস পর্যন্ত $১৮৫ একমুখী ফ্লাইটের মতো অবিশ্বাস্য অফারগুলি ব্যবহার করেছি।
প্রস্তাবিত ট্রিপ ২ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র/কানাডার বাসিন্দাদের জন্য): মেক্সিকো
আমেরিকা এবং কানাডায় পড়াশোনা/কর্মরত অনেকেই জানেন না যে, মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশে বৈধ মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা থাকলে আপনি সীমাহীন ভ্রমণ করতে পারবেন। মেক্সিকো সম্ভবত সব দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধা পাবে। এমনকি আমেরিকায় আমার প্রথম ৪ বছর এই ছাড়ের কথা আমিও জানতাম না, কিন্তু তারপর থেকে, আমি মেক্সিকোতে প্রায় এক ডজন ভ্রমণ করেছি এবং থামার কোনও পরিকল্পনা নেই। বাজা ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম প্রান্তে সার্ফ-ওয়েভ থেকে শুরু করে মেক্সিকো সিটির নিচে চাপা পড়া অ্যাজটেক ধ্বংসাবশেষ, মায়ান পিরামিড এবং ইউকাটানের ভূগর্ভস্থ সাঁতারের গর্ত পর্যন্ত, মেক্সিকোতে আশ্চর্যজনক অভিজ্ঞতার কোনও অভাব নেই। ভুলে গেলে চলবে না, রাস্তার পাশের খাবার আমার জীবনে দেখা সেরা খাবারগুলির মধ্যে একটি (এবং যারা বাংলাদেশি খাবারে অভ্যস্ত তাদের জন্য খুবই উপযুক্ত)। মেক্সিকোতে থাকাকালীন আমি সাধারণত দিনে ৩ বার চিকেন টাকো খাই। এবং সর্বোপরি, এটি নোংরা সস্তা ! মেক্সিকোতে বাজেট ভ্রমণ খরচ আনুমানিক প্রায় $২৫-৪০ ডলার। ৩ বছর আগে মেক্সিকোতে ৩ দিনের ভ্রমণের সময়
প্রস্তাবিত ট্রিপ ৩ (শেনজেন ভিসা/নথিধারীদের জন্য): বলকান অঞ্চল
আমি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সমগ্র ইউরোপ ভ্রমণ করেছি ( আগ্রহ থাকলে এই প্রবন্ধে আরও বিস্তারিত জানুন), এবং আমার সেরা অভিজ্ঞতাগুলির মধ্যে কিছু ছিল বলকান অঞ্চলে (স্লোভেনিয়া, সার্বিয়া, মন্টিনিগ্রো, ক্রোয়েশিয়া, উত্তর ম্যাসেডোনিয়া এবং আলবেনিয়া)। যতক্ষণ আপনি উপকূলীয় শহরগুলি এড়িয়ে যান যেখানে ক্রুজ জাহাজ আসে, দাম প্রায় সমগ্র ইউরোপের তুলনায় সস্তা এবং পশ্চিম ইউরোপের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে সস্তা। আমার এমন বন্ধু আছে যারা গ্রীষ্মকালে ক্যাম্পিং করত এবং প্রতিদিন ১৫ ইউরোরও কম খরচ করে যাতায়াত করত। আমার প্রিয় অংশ হল যে সুন্দর স্থানগুলি (উপরে উল্লিখিত উপকূলীয় হট-স্পটগুলি বাদে) পর্যটকদের ভিড় থেকে অনেক দূরে এবং খুব শান্ত। পশ্চিম ইউরোপের তুলনামূলকভাবে, বলকানরা বেশি শীতল ভ্রমণকারীদের আকর্ষণ করে যারা জিনিসপত্র সহজে নিতে পছন্দ করে এবং বলকান অঞ্চলে আমার ২ মাস সময়কালে আমি অন্যান্য একক ভ্রমণকারীদের সাথে অবিশ্বাস্য বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছি। বলকান জুড়েও অনেক ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে, যেখানে 90 এর দশকের শেষের দিকে পর্যন্ত অঞ্চল-নির্ধারিত প্রধান ঘটনাগুলি ঘটেছিল। বলকান সম্পর্কে যে কোনও আলোচনা তাদের খাবার (বুরেক পড়ুন) কতটা সুস্বাদু তা উল্লেখ না করে অসম্পূর্ণ হবে। সার্বিয়ায় খুব পেট ভরে খাওয়া বার্গার/প্লেস্কাভিকার দাম পড়বে প্রায় ১-২ ইউরো, যদি আপনি সঠিক জায়গায় পান, আর আলবেনিয়া এবং বসনিয়া-হার্জেগোভিনা আরও সস্তা। যদি আপনার খাদ্যতালিকায় বিধিনিষেধ থাকে, তাহলে মনে রাখবেন যে খাবারটি সাধারণত নিরামিষ-বান্ধব হয় না।
আমি পরিবারের ছোট ছেলে। বড় ভাই বুরহান সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল খুবই ঘনিষ্ঠ। বাবা-মা বয়স্ক হয়ে যাওয়ার পর বোরহান ছিল তার অভিভাবক। কিন্তু বিয়ের পর বোরহান এর স্বভাব বদলে যেতে থাকে। স্ত্রী হাফসা প্রভাব যেন তার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছিল।
একদিন মাসুম খুবই বিপদে পড়ল। ঢাকা ইজতেমা তে যাওয়ার কারণে কিছু টাকার প্রয়োজন ছিল। সে ভেবেছিল, বড় ভাই তো বাবার মতো-তার কাছে গেলে নিশ্চয়ই সাহায্য পাবে।
সেদিন “আমি” তার কাছে খুব ভরসা নিয়ে বোরহান এর কাছে ফোন করে। বোরহান কে সব খুলে বলল আর কিছু টাকা
ধার চাইল। নাসির কিছু বলার আগেই তার স্ত্রী হাফসা ঘরে ঢুকে কথায় কথায় অপমান করতে শুরু করল। ‘তোমাদের পরিবারে সবসময়ই শুধু চাওয়া আর চাওয়া! আমাদের কী আমরা আকাশ থেকে টাকা এনে দেব? তোমার ভাই
তো আর তোমাদের দাস না যে যখন খুশি টাকা চাইবে আর দিয়ে দেবে!”
“আমি” এই কথা শুনে চুপ হয়ে গেল। তার ভাই বোরহান একবার চেষ্টা করল না তাকে থামানোর। আমি তখন মনে হচ্ছিল, আমার শৈশবের সেই বড় ভাই যেন আজ কোথাও হারিয়ে গেছে।
হাফসা আরও বলল, “আমরা কি শুধু তোমাদের দেখভালের জন্য বিয়ে করেছি? নিজের পায়ে দাঁড়ানো শিখ্যে, এইভাবে ভিক্ষা চাইতে এসো না!”
আমি” সেদিন মাথা ঠান্ডা করে সেদিন call টা কেটে দিয়ে চলে আসে। তার মনে হচ্ছিল, শুধু টাকা চাইতে এসে নয়, সে যেন নিজের সব সম্মান হারিয়ে ফেলেছে। পথে হাঁটতে হাঁটতে তার চোখ ভিজে উঠছিল।
সেই রাতে আমি নিজের ছোট ঘরে বসে ভাবছিল, “আমার ভাই কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসে, নাকি বিয়ের পর সব
বদলে গেছে?”
এমন অপমানের পরও আমার বড় ভাইয়ের জন্য মন্দ কিছু ভাবেনি। সে শুধু মনে মনে প্রার্থনা করল, “যদি কখনো আমার ভাই আমার কাছে সাহায্য চায়, আমি যেন তাকে এই কষ্ট না দিই।”
এই বার্তা টা শুধু আমার নিজের নয়। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই পড়ে, যখন নিকটজনের থেকে সাহায্যের বদলে অপমান জুটে। কিন্তু এই কষ্ট আমাদের শিখিয়ে দেয়, কখনো কারও বিপদকে তুচ্ছ করে দেখা উচিত নয়, কারণ সময় বদলে গেলে অপমান করার মানুষ নিজেও এমন পরিস্থিতিতে পড়তে পারে।
আমার প্রতিজ্ঞা।
সেদিন আকাশ ছিল কালো,
আমার হৃদয়ে ঝড় উঠেছিল, অপমানের তীর শিখা আমার আত্মাকে পোড়াচ্ছিল। তারা হাসছিল, কটাক্ষ করেছিল, আমি চুপচাপ তাকিয়ে ছিলাম, কিন্তু মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। একদিন জবাব দেবো! আজ আমি দাঁড়িয়ে আছি, শক্ত হাতে নিয়েছি কলম, তাদের সেই অপমানের দিন
আজ পরিণত হয়েছে আমার বিজয়ে।সে কি না করেছিল আমাকে
তারা বলেছিল, আমি দুর্বল,
তারা ভেবেছিল, আমি ভেঙে যাবো, কিন্তু আমি ছিলাম পাহাড়ের মতো, ঝড় এসে কাঁপাতে পারেনি আমাকে। অপমানের সেই দিন ছিল কালো, অপমানের সেই দিন ছিল কালো, কারণ আমি শিখেছি,
প্রতিটি অপমানই একদিন শক্তি হয়ে যায়।

English is given below.
হ্যাঁ আমি হয়তো কখনো রিলেশন করিনি কাউকে ভালোবাসিনি. রিলেশনশিপের বাইরে থেকেও জীবন উপভোগ্য!
হ্যাঁ আমি হয়তো কখনো রিলেশন করিনি কাউকে ভালোবাসিনি, তবে হয়তো কোনো এক মানবের মায়ায় পড়ে গেছিলাম। যেটা ছিলো খুব গোপনে নিজের মনেই সীমাবদ্ধ কারণ সে নিজেও জানতো না।
তারে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতাম,আমি ওদের স্কুলে গিয়ে ক্লাস শেষ করলে দেখতে যেতাম, প্রায়ই দেখা হত। তার , কথা বলা ভঙ্গি, সবকিছুই আমার মনে গভীরভাবে দাগ কেটেছিল। ভাললাগতো তাকে, এক কথায় আমার ছোট্ট মনে এক প্রথম ছোট্ট অনুভূতি জন্মাইছিলো তারে দেখে তার আগে কখনো কারো প্রতি হয়নি।অনেকদিন লুকিয়ে ভালোবাসার পর একদিন সাহস করে আমি “তাকে’’ প্রোপোজ করলাম। সে প্রথমে কিছুটা হেসে বলে, “আমি এখনো কিছু ভাবিনি, আমাকে সময় দাও।” আমি আশা নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকি।
তারপর এভাবেই আরো আড়াই বছর কাটিয়ে দেই কিন্তু সে কখনোই বোঝার চেষ্টা করেনি সব সময় ইগনোর করে যেত।কিছুদিন পর আমি লক্ষ করি সে, আরও অনেক ছেলের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মিশছে।সে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের সাথে ছবি শেয়ার করে, রাত জেগে চ্যাট করে, এমনকি কখনো কখনো সন্ধ্যার পরে তাদের সাথে আড্ডাও দেয়। আমি সেটা দেখে মনে অনেক কষ্ট জমতে থাকে, কিন্তু আমি কিছু বলিনি কেননা হয়তো।সে নিজের জীবন, তার নিজের পছন্দ। একদিন আমি দেখি তাকে আরেকটা ছেলের সাথে হাত ধরে হাঁটছে। সেদিন আমার মনে প্রচণ্ড কষ্ট হয়। আমি বুঝতে পড়ি, তার কাছে আমি শুধুই একটা “অপশন”।তার জীবনে অনেক ছেলে আছে, আর আমি তাদের মধ্যে শুধু একজন।
আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি, “তুমি কি কখনো আমাকে সিরিয়াসলি নিয়েছ? নাকি আমি শুধু তোমার সময় কাটানোর একটা মাধ্যম?” সে উত্তর দেয়, “মাসুম, তুমি ভালো ছেলে, কিন্তু আমি এখনো কাউকে সিরিয়াসলি নিতে পারিনি। আমার অনেক বন্ধু আছে, আমি তাদের সাথে সময় কাটাই। তুমি যদি এটা মেনে নিতে না পারো, তাহলে আমাদের দূরত্ব বাড়ানোই ভালো।”
আমার মনে প্রচণ্ড কষ্ট হয়। আমি বুঝতে পেরেছি, তার কাছে আমার ভালোবাসার কোনো মূল্য নেই। আমি তাকে ছেড়ে চলে যাই, কিন্তু আমার মন থেকে তার নাম কল্পনা মুছে যায় না। আমি অনেক কষ্ট পাই, কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছি, কখনো কখনো ভালোবাসা একতরফা হয়, আর সেই ভালোবাসায় শুধু কষ্টই জমে।
কিন্ত তারপর সে হারাই যাওয়ার পর প্রচন্ড মিস করতাম আমি, খুব দেখতে মন চাইতো, এমনকি আজও চায়,, এই ২ বছরের মাঝে। এর মধ্যে দ্বিতীয় কাউকে ভালো লাগেনি আমার, না করছি রিলেশন আর না ভালোবাসছি কাউকে। আমার আজও তাকে দেখার তীব্র আকাঙ্খা আছে এবং সেটি গোপনেই, আমি শুধু এখন অপ্রকাশিতই হয়ে থাকতে চাই…!!
তিন বছর কেটে গিয়েছিল। হঠাৎ একদিন, এক অজানা নাম্বার থেকে ম্যাসেজ এলো।।প্রথমে চিনতে পারিনি, কিন্তু কথার সুর, শব্দচয়নে বুঝলাম—সে। নিজেকে গোপন রেখে কথা বলতে শুরু করল। আবারও সেই পুরনো আবেশ, সেই আশা। কিন্তু কিছুদিন পরেই জানলাম,
পরে বুঝলাম, সে-ই—যাকে আমি একদিন নিঃশব্দে ভালোবেসেছিলাম। এবার সে-ই নিজে যোগাযোগ করেছে। নাম প্রকাশ না করে, পরিচয় গোপন রেখেই, যেন কোন দূর অতীত থেকে ফিরে এসেছে।
আমরা প্রায়ই কথা বলতাম। হাসি-মজা, গল্প—সবই চলছিল। আমি ভেবেছিলাম, হয়তো এবার কিছু একটা বদলাবে। কিন্তু বাস্তবতা বড়ই নির্মম। একদিন হঠাৎ করেই তার সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এমন কিছু জানতে পারলাম, যা বিশ্বাস করাটা কষ্টকর ছিল। সে একাধিক ১৮+ গ্রুপে যুক্ত। অশ্লীল পোস্ট, খারাপ কমেন্ট—সবই করে। অনেক ছেলের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে, সেক্সি ভিডিও চায়। এমনকি বিভিন্ন ছেলেকে সেক্স গ্রুপে অ্যাড করার অনুরোধও করে।
আমি ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলাম। মনটা একদম ভেঙে গিয়েছিল।
তাকে খুবই শান্তভাবে বলেছিলাম,
“তুমি এসব করছো কেন?”
কিন্তু সে কোনো জবাব না দিয়ে আমাকে ব্লক করে দিল।
এখানেই শেষ নয়। পরে জানতে পারি, এখনো সে অনেক ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। মজার বা বেদনাদায়ক ব্যাপার হলো—দুইজন ছেলের সঙ্গে সে নাকি ইকবাল স্যার কোচিং সেন্টারের রুমে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছে। আমি কিছু বলতে পারিনি, শুধু নিঃশব্দে সবটা মেনে নিয়েছি।
আজও মাঝে মাঝে তার কথা মনে পড়ে। তবে সেটা আর ভালোবাসা নয়,
একটা শূন্যতা, একটা বিস্ময় আর একটা প্রশ্নের মতো—
আমি কি সত্যিই কাউকে ভালোবেসে ভুল করেছিলাম?
আমি কি সত্যিই কাউকে ভালোবেসে ভুল করেছিলাম?
দোয়া করি সবার ভালোবাসা যেনো পূর্ণতা ‘পায়,,
আমি তাকে খুব ভালোবাসতাম
Yes, maybe I’ve never been in a relationship, never loved someone, but perhaps I once fell for the charm of a human being.
It was something I kept entirely to myself, in secret—because even she didn’t know.
I used to watch her from afar. I would visit her school, waiting to catch a glimpse after her classes ended. I saw her quite often.
Her way of speaking, her gestures—everything left a deep mark on my heart.
I liked her. Honestly, she was my very first feeling of affection, something I had never experienced before.
After secretly loving her for a long time, one day I finally gathered the courage to propose to her.
She smiled slightly and said, “I haven’t really thought about it yet, give me some time.”
I waited, full of hope.
Two and a half years passed like that.
But she never really tried to understand my feelings. She would always ignore me.
After some time, I noticed she was getting close to other boys.
She posted photos with them on social media, chatted late into the night, and sometimes even hung out with them in the evenings.
It hurt me deeply, but I said nothing—because it was her life, her choice.
One day, I saw her holding hands with another guy.
That day, my heart shattered. I realized to her, I was just an “option.”
She had many guys in her life, and I was just one among them.
I asked her,
“Did you ever take me seriously? Or was I just someone to pass your time with?”
She replied,
“Masum, you’re a good guy, but I haven’t taken anyone seriously yet. I have many friends, I like spending time with them. If you can’t accept that, maybe it’s best we stay apart.”
That answer broke me.
I understood—my love had no value in her eyes.
I walked away, but I couldn’t erase her name from my heart.
It hurt for a long time.
But I learned something—sometimes, love is one-sided.
And in one-sided love, there’s only pain.
Even after she disappeared from my life, I missed her terribly.
I longed to see her again—even now, after all these years.
I never liked anyone else. I never got into another relationship or fell in love again.
My feelings for her remain hidden, unspoken.
Now, I just want to stay in the shadows… invisible.
Three years passed.
One day, I got a message from an unknown number.
At first, I didn’t recognize it—but her tone, her choice of words… I knew it was her.
She started talking while hiding her identity.
The same old emotions returned, the same hope sparked again.
But after a few days, I discovered the truth.
It really was her—the one I had once silently loved.
This time, she had contacted me herself, without revealing who she was—like a ghost from the distant past.
We talked regularly.
Laughter, jokes, stories—we shared everything again.
I thought, maybe this time something would change.
But reality is harsh.
One day, through her social media, I found something deeply painful.
She was a member of multiple 18+ groups.
She posted obscene content, made vulgar comments.
She chatted personally with many guys, asked for sexy videos, and even invited some to join sex groups.
I was shattered.
My heart broke into pieces.
I gently asked her,
“Why are you doing all this?”
She didn’t answer. She just blocked me.
That wasn’t the end.
Later, I found out she was still in contact with many guys.
And the most shocking or painful thing I learned—
She had reportedly engaged in physical relationships with two guys in a coaching center room run by Iqbal Sir.
I couldn’t say anything.
I just silently accepted it all.
Even now, I sometimes think of her.
But it’s no longer love.
It’s a feeling of emptiness, a lingering question—
Did I really make a mistake by loving someone?
Did I truly make a mistake by loving someone?
I pray that everyone’s love finds fulfillment.
I really loved her.https://masumbillah171.blogspot.com/2025/05/blog-post_20.html
আমি একদিন নাসির কে বলেছিলাম যে “ভাই আমার ভর্তি আর কিছু বই খাতা কিনবো টাকা চেয়ে ছিলাম সে বলেছিল মাদ্রাসায় যাওয়ার সময় দেবেন। করোনা ভাইরাস এর পরে 2021 ভর্তি হলাম ফোন করে বললাম তুমি বলছিলা যে কিছু টাকা দেবেন বাবার তো কোন কাজ নেই বা এই বয়সে কি করবে- যদি কয়েকটা টাকা দিলে অনেক ভালো হতো=সে ওখান থেকে বলেছিল মা-বাবার কাছে টাকা চাইতে না থাকলে-রাজমিস্তি কাজ করতে আমি টাকা দিলে কি হবে আমা তোর লেখাপড়ার খরচ আমি কেন দিব- না পারলে ঢাকা গিয়ে কাজ কর- তুই পড়লে আমার কি হবে । আমাকে দিতে পারবে জসিয়াই এর লাল মিয়ার মতো হইবে মা-বাবাকে ভাত দিবিনা-ভাই দের কে ভুলে যাবে আমাদের কে ধোঁকা দেবে আমি কোন টাকা দিতে পারবো না যা মন চায় তাই গিয়ে কর বলে ফোন কেটে দেয়।
তারপর 2021 এর পর থেকে আজও কথা হয়না ।
অনেক দিন পর লম্বা বিরতি
শুধু তাই নয় আমি যখন বিদেশে আসার জন্যে প্রস্তুত নিচ্ছিলাম তখন সে কিছুই জামতো না এই বিষয়ে বা আমারদের সাথে কথায় বলে না। আচ্ছা তো যখন আমি সব কিছু প্রস্তুত করেছি আমাদের পুকুর টা লিজ দিয়ে ৩ লক্ষ টাকা এবং কিছু দিন পর আমার মালয়েশিয়া তে ভিসা হয় 24 septembor 2022 সে আমি মালয়েশিয়া নতুন এসেছি নাসির সে বিষয়ে জানতো কি সেটাও আমি জানিনা,ok bus এত্তটুকই এখন মালয়েশিয়া কাজ করার আগেই নাসির আমাকে একদিন ফোন করে বলেছে, “কিরে তুই নাকি মালয়েশিয়া চলে গেলে কত টাকা লাগলো জিজ্ঞেস করে ‘’ অথচ নাসির আমাকে কোন একদিন বলেনি টাকা কি ভাবে ম্যানেজ করেছি। একবার বলেনি ok”১৫ দিন পরে আবার ফোন করে “তাড়াতাড়ি পুকুর এর টাকা পরিশোধ করার জন্যে তাড়াতাড়ি আমার কাছে জিজ্ঞেস করলেনা কে বলেছে পুকুর বিক্রি করার জন্যে? তুই এই বছরের ভিতরে পুকুরের টাকা redy কর” অথচ আমি মত ১২ দিন কাজ করেছি মাত্র মালয়েশিয়া ২৮ দিন এর মাঝেই আমাকে খুব পেশার করতেছে টাকা পরিশোধ করার জন্যে ।।। আমার প্রশ্ন নাসির কে? আমিতো ভালো করে নাসির কে চিনিনা সত্যিই , সে আমাকে তো ২ টাকা দেয়নি তাহলে কেন এত্ত চাপ দেয়? তার সাথে আমার কথা হয়না কারণ তার নম্বর আমি ব্লক করে রেখেছি,; সত্যিই বলতে আমি নাসির কে চিনিনা, ১২ বছর হলো সে সৌদি আরবে আমার সাথে ১ বারের জন্যও ভিডিও কল এ কথা হয়নি বা আমি তার কোন ফটো দেখিনি ।,, আমি অনেক ছোট ছিলাম মাদ্রাসায় পোতাম তখনই সে ২০১৩ সালে সে মনে হয় সৌদি তে গিয়েছে তখন আমি অনেক ছোট।।।। ১২ বছরে ১ বার ভিডিও কল কথা হয়নি,,, আসলে সত্যি বলতে আমরা 4 ভাই কোন সময় কোন একদিন আমরা এক সাথে এক খাতে বসে ভাত খাওয়া হয়নি আমি শিওর
এখানে শুনতে পরে 👇👇


ভয়ংকর নাসির—সত্য উদ্ঘাটনের পালা তুমি ভাবো, আমাদের ভাঙবে,
নাসির—এক নাম, দুই রূপ!
ভদ্রতার মুখোশ খুললেই নাসিরের আসল রূপ
নাসিরের ছদ্মবেশী জীবন, আতঙ্কে সবাই!
বিশ্বাসঘাতক নাসির,আতঙ্কের আরেক নাম
শান্ত স্বভাবের আড়ালে লুকানো নাসিরের ভয়ংকরতা
নাসিরের রক্তচক্ষু, শিউরে উঠছে সবাই!
নাসিরের ছায়ায় ভয়, তার রূপে আতঙ্ক
একজন নাসির, হাজারো রহস্য!
একজন নাসির, হাজারো রহস্য! 2. ভয়ংকর নাসির—সত্য উদ্ঘাটনের পালা
তুমি ভাবো, আমাদের ভাঙবে, নাসির চায় তার আয়নায়
চাপের নিচে দলিত করবে, আমাদের ব্যর্থতা দেখাতে,
কিন্তু জানো না, আমরা পাহাড়, ভাঙা স্বপ্নের টুকরো নিয়ে
ঝড় এলেও অটল থাকবো! হাসি তার মুখে জমাতে।
@masum171daily
ইঙ্গিত: এটি এই নয় যে আপনি যথেষ্ট ঘুমাচ্ছেন না—এবং সমাধানগুলি একটি চিনচিন।

আপনার রাতে ভালো ঘুম হয়েছে, আপনি অসুস্থ নন, আপনি সকালের নাস্তা খেয়েছেন এবং এমনকি 30 মিনিট কার্ডিও করেছেন —তাহলে কেন আপনার মনে হচ্ছে আপনি সারাদিন একটি জেট-ল্যাগড কুয়াশায় নিজেকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন?আপনি যদি সত্যিই পর্যাপ্ত ঘুম পান-অনেক আমেরিকান তা করতে লড়াই করে, তিনজনের মধ্যে একজনকে ঘুম থেকে বঞ্চিত বলে মনে করা হয়, বা রাতে সাত ঘণ্টার কম সময় পান-তাহলে ক্রমাগত ক্লান্ত বোধ করা একটি গুরুতর স্বাস্থ্য অবস্থার লক্ষণ হতে পারে, যেমন দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি সিন্ড্রোম, লাইম রোগ, থাইরয়েড সমস্যা, বা বিষণ্নতা। এটি মেনোপজের সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গও। আপনি যদি মনে করেন যে আপনি এই শ্রেণীগুলির মধ্যে একটিতে পড়তে পারেন, তাহলে আপনার ডাক্তার (বা একজন থেরাপিস্ট , বিষণ্নতার ক্ষেত্রে) দেখুন, যিনি আপনাকে নির্ণয় করতে এবং আপনার জন্য সঠিক চিকিত্সার জন্য আপনাকে গাইড করতে পারেন।
কিন্তু আপনি যদি কেবল শারীরিক এবং মানসিকভাবে (এবং এমনকি মানসিকভাবে) অলস বোধ করেন এবং আপনি স্ট্রেস বা একঘেয়েমি (ওরফে অন্তহীন জুম মিটিং) বাদ দিয়ে থাকেন তবে এই আশ্চর্যজনক অপরাধীদের মধ্যে একজনকে বিবেচনা করুন। এগুলি প্রতিকারের জন্য সহজ, এবং সেগুলিকে সম্বোধন করা আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে উপকৃত করবে, কেবলমাত্র আপনার শক্তির স্তর নয়।
1. এমনকি সামান্য পানিশূন্য হওয়া
আমাদের শরীর প্রায় 60 শতাংশ জল দ্বারা গঠিত, যা আমাদের রক্ত প্রবাহ, মস্তিষ্ক এবং পেশীর কার্যকারিতা, বিপাক এবং পুষ্টির পরিবহন তাদের সর্বোত্তমভাবে পরিচালনা করার চাবিকাঠি। এটি কতটা H2O দেওয়া হয়েছে, আপনি মনে করেন আমরা যদি একটু বাষ্পীভূত হয়ে যাই তবে আমরা পুরোপুরি ঠিক থাকব। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে যে এমনকি সামান্য হ্রাস-অর্থাৎ 2 শতাংশেরও কম জলের ক্ষয়-আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মকে প্রভাবিত করতে পারে এবং আমাদের শুধু ক্লান্তি এবং কম মনোযোগী নয় বরং রাগ, উদ্বেগ এবং বিষণ্নতার সম্ভাবনা বেশি হতে পারে।
একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যায় অ্যান্টিডিউরেটিক হরমোন আর্জিনাইন ভাসোপ্রেসিন (এভিপি) উৎপাদন জড়িত
https://mobile.facebook.com/masum2730

Have a WordPress.com account? Log in now.